(৪৮) আমি তাদেরকে যে নিদর্শনই দেখাতাম তা তার আগের নিদর্শন অপেক্ষা বড় হতো। আমি তাদেরকে শাস্তি দিয়ে পাকড়াও করেছিলাম, যেনো তারা আমার দিকে ফিরে আসে। (৪৩. আয যুখরুফ : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) তারা বলেছিলো, “ওহে জাদুকর মূসা! আপনার প্রভু আপনার কাছে যে অঙ্গীকার করেছেন, তার অছিলা দিয়ে আপনি আমাদের জন্যে প্রার্থনা করুন; নিশ্চয় আমরা সৎপথে চলে আসবো।” (৪৩. আয যুখরুফ : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫১) ফিরআউন তার জাতিকে ডেকে বললো, “হে আমার জাতি, মিসরের রাজত্ব কি আমার জন্যে নয়? আর এইসব নদীগুলো আমার অধীনে প্রবাহিত হয়, তবে কি তোমরা দেখো না? (৪৩. আয যুখরুফ : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) তারপর তারা যখন আমাকে অসন্তুষ্ট করলো, তখন আমি তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিলাম। ফলে আমি তাদের সবাইকে একসঙ্গে ডুবিয়ে দিলাম। (৪৩. আয যুখরুফ : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) তারা বলে, “আমাদের উপাস্যরা শ্রেষ্ঠ, না কি ঈসা শ্রেষ্ঠ?” তারা বিতর্ক করার উদ্দেশ্য আপনার কাছে এ কথা বর্ণনা করে। বরং তারা হচ্ছে এক বিতর্ককারী জাতি। (৪৩. আয যুখরুফ : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৯) ঈসা আমার একজন বান্দা ছিলেন। আমি তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করেছি এবং আমি তাঁকে ইসরাঈলের সন্তানদের জন্যে আদর্শ স্বরূপ বানিয়ে ছিলাম। (৪৩. আয যুখরুফ : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) আমি যদি চাইতাম, তবে অবশ্যই আমি তোমাদের মধ্যে থেকে ফেরেশতা সৃষ্টি করতে পারতাম, যারা পৃথিবীর মধ্যে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে একের পর এক বসবাস করতো। (৪৩. আয যুখরুফ : ৬০)
- ব্যাখ্যা