(৩৫) বরং আমি তাদের ঘরের জন্যে ঐ গুলোকে স্বর্ণ-নির্মিত বানাতাম। নিশ্চয় এগুলো সবই কেবল মাত্র পার্থিব জীবনের ভোগ সামগ্রী। আর আল্লাহ ভীরুদের জন্যে আপনার প্রভুর কাছে পরকালে উত্তম ঘর রয়েছে। (৪৩. আয যুখরুফ : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে অমনোযোগী হয়, তবে আমি তার জন্যে এক শয়তানকে নিয়োজিত করে দেই, ফলে ঐ শয়তান তার সঙ্গী হয়ে যায়। (৪৩. আয যুখরুফ : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) অবশেষে যখন মানুষ আমার কাছে আসবে, তখন সে শয়তানকে বলবে, “হায় আফসোস! আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব ও পশ্চিম সমান দূরত্ব থাকতো। কেননা তুমি বড় মন্দ সঙ্গী ছিলে।” (৪৩. আয যুখরুফ : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) তাদেরকে বলা হবে, “আজকের দিনে শয়তান তোমাদের কখনোই কোনো কাজে আসবে না, যেহেতু তোমরা অন্যায় করেছিলে, সুতরাং তোমরা শাস্তির মধ্যে একে অপরের অংশীদার হয়ে যাও।” (৪৩. আয যুখরুফ : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) সুতরাং আপনি কি বধিরকে কুরআন শুনাতে পারবেন? অথবা আপনি কি অন্ধকে ও যে স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে, তাকে পথ প্রদর্শণ করতে পারবেন? (৪৩. আয যুখরুফ : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪২) অথবা আমি যদি আপনাকে ঐ শাস্তিকে দেখিয়ে দেই, যে শাস্তির অঙ্গীকার আমি তাদেরকে দিয়েছি, তবুও নিশ্চয় আমি তাদের উপরে পূর্ণ ক্ষমতাবান। (৪৩. আয যুখরুফ : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) আপনার পূর্বে আমি আমার রসূলদের মধ্যে যাঁদেরকে প্রেরণ করেছি, আপনি তাঁদেরকে জিজ্ঞেস করুন, আমি কি উপাসনা করার জন্যে দয়াময় আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো উপাস্য স্থির করেছিলাম? (৪৩. আয যুখরুফ : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) আমি মূসাকে আমার নিদর্শন সমূহ দিয়ে ফিরআউন ও তার প্রধানদের কাছে প্রেরণ করেছিলাম। তারপর মূসা বলেছিলেন, “আমি বিশ্বজগতের প্রভুর পক্ষ হতে প্রেরিত রসূল।” (৪৩. আয যুখরুফ : ৪৬)
- ব্যাখ্যা