(২৩) এইভাবেই আমি আপনার পূর্বে জনপদের মধ্যে যখনই কোনো সতর্ককারী প্রেরণ করেছি, তাদের বিত্তশালীরা একথা বলেছে যে, “নিশ্চয় আমরা আমাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে এই ধর্মের উপরে পেয়েছি আর নিশ্চয় আমরা তাদের পদচিহ্নের উপরেই পরিচালিত হয়েছি।” (৪৩. আয যুখরুফ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) তাদের রসূল বলেছিলেন, “যার উপরে তোমরা তোমাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে পেয়েছো, যদি আমি তার চাইতেও উত্তম কোনো পথ-নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসে থাকি, তবুও কি তোমরা তোমাদের ধর্মের অনুসরণ করবে?” তারা বলেছিলো, “নিশ্চয় তোমরা যে বিষয় নিয়ে প্রেরিত হয়েছো, আমরা তার প্রতি অবিশ্বাসী।” (৪৩. আয যুখরুফ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তবে আল্লাহ ব্যতীত, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, কেনোনা আমার সম্পর্ক আল্লাহর সঙ্গে সর্বদাই থাকবে। নিশ্চয় তিনি আমাকে শীঘ্রই পথ দেখাবেন।” (৪৩. আয যুখরুফ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৯) বরং আমিই এদেরকে ও এদের পূর্ব-পুরুষদেরকে জীবন উপভোগ করতে দিয়েছি, অবশেষে তাদের কাছে সত্য কুরআন ও স্পষ্ট বর্ণনাকারী একজন রসূল এসেছেন। (৪৩. আয যুখরুফ : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩২) তবে এরাই কি আপনার প্রভুর অনুগ্রহ বন্টন করে? আমিই পার্থিব জীবনে তাদের মাঝে জীবিকা বন্টন করেছি। আমি তাদের কাউকে মর্যাদায় অন্যের উপরে উন্নীত করেছি, যেনো তাদের কেউ অন্যকে সেবা নেয়ার জন্যে সেবক রূপে গ্রহণ করে। আপনার প্রভুর অনুগ্রহ তার চাইতে উত্তম, যে সম্পদ তারা সঞ্চয় করে। (৪৩. আয যুখরুফ : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) যদি সব মানুষের একই ধর্মের অনুসারী হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা না থাকতো, তাহলে যারা দয়াময় আল্লাহকে অস্বীকার করে, আমি অবশ্যই তাদের ঘরের জন্যে রূপা দিয়ে নির্মিত ছাদ ও সিঁড়ি বানাতাম, ফলে ঐ সিঁড়ি দিয়ে তারা ছাদের উপরে উঠতো। (৪৩. আয যুখরুফ : ৩৩)
- ব্যাখ্যা