(১১) যিনি আকাশ থেকে পরিমিত পানি বর্ষণ করেছেন। তারপর এ পানি দিয়ে আমি মৃত ভূমিকে পুনরায় জীবিত করি। তোমরা এইভাবেই কবর থেকে বের হয়ে পুনরায় জীবিত হবে। (৪৩. আয যুখরুফ : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) যিনি সব কিছুর যুগল সৃষ্টি করেছেন আর জাহাজ ও চতুষ্পদ জন্তুকে তোমাদের জন্যে যানবাহন বানিয়েছেন, যেগুলোতে তোমরা চড়ো। (৪৩. আয যুখরুফ : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) যেনো তোমরা জাহাজ ও চতুষ্পদ জন্তুদের পিঠের উপরে আরোহণ করো। তারপর তোমরা যখন তাদের উপরে বসো, তখন তোমাদের প্রভুর অনুগ্রহকে স্মরণ করো। আর তোমরা বলো, “পবিত্র আল্লাহ, যিনি এদেরকে আমাদের জন্যে বশীভূত করে দিয়েছেন এবং আমরা কখনোই এদেরকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। (৪৩. আয যুখরুফ : ১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭) অথচ যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, যে কন্যা সন্তান সে দয়াময় আল্লাহর জন্যে দৃষ্টান্ত বর্ণনা করে, তখন তার চেহারা কালো হয়ে যায় ও সে দুশ্চিন্তা গ্রস্থ হয়। (৪৩. আয যুখরুফ : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) তবে তারা কি এমন কাউকে আল্লাহর জন্যে বর্ণনা করে, যে নারী অলঙ্কারের মধ্যে পালিত হয় আর ঐ নারী বিতর্কের মধ্যে স্পষ্ট করে কথা বলতেও পারে না। (৪৩. আয যুখরুফ : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) তারা ফেরেশতাদেরকে নারী হিসাবে স্থির করে, যে ফেরেশতারা দয়াময় আল্লাহর বান্দা। তারা কি এই ফেরেশতাদের সৃষ্টিতে সাক্ষী ছিলো? শীঘ্রই তাদের দাবীকে লিখে রাখা হবে এবং এ সম্পর্কে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে। (৪৩. আয যুখরুফ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) তারা বলে, “দয়াময় আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে আমরা এসবের পূজা করতাম না।” এ ব্যাপারে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তারা কেবল মাত্র অনুমান করে কথা বলে। (৪৩. আয যুখরুফ : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২২) বরং তারা বলে, “নিশ্চয় আমরা আমাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে এই ধর্মের উপরে পেয়েছি আর নিশ্চয় আমরা তাদের পদচিহ্নের উপরেই পরিচালিত হয়েছি।” (৪৩. আয যুখরুফ : ২২)
- ব্যাখ্যা