(৪৫) দোযখের সামনে তাদেরকে উপস্থিত করার সময় আপনি তাদেরকে দেখবেন যে, অপমানের ফলে ভীত বিনত অবস্থায় অর্ধ মীলিত চোখে তারা ভয়ে তাকিয়ে রয়েছে। যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে তারা বলবে যে, “নিশ্চয় কিয়ামতের দিনে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত, যারা নিজেদের ও তাদের পরিবারের ক্ষতি সাধন করেছে। তোমরা শুনে রেখো, নিশ্চয় অন্যায়কারীরা স্থায়ী শাস্তির মধ্যে থাকবে।” (৪২. আশ শুরা : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) তাদেরকে সাহায্য করার জন্যে আল্লাহ ব্যতীত তাদের কোনো অভিভাবক থাকবে না। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তবে তার জন্যে কোনো পথ নেই। (৪২. আশ শুরা : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) তোমরা ঐ দিন আসার আগেই তোমাদের প্রভুর প্রতি সাড়া দাও, যে দিনটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আসবে ও সেই দিনকে ফেরানো যাবে না। সেই দিন তোমাদের জন্যে কোনো আশ্রয়স্থল থাকবে না ও তোমাদের কোনো আপত্তির সুযোগও থাকবে না। (৪২. আশ শুরা : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) সুতরাং যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আমি আপনাকে তাদের উপরে রক্ষাকারী হিসেবে পাঠাইনি। কেবল মাত্র বাণী পৌঁছে দেওয়া ব্যতীত আপনার উপরে অন্য কোনো কর্তব্য নেই। নিশ্চয় আমি যখন মানুষকে আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহের স্বাদ গ্রহণ করাই, তখন সে এতে আনন্দ করে। আর তাদের হাতের কৃতকর্মের কারণে যদি তাদের কোনো অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়। (৪২. আশ শুরা : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহর জন্যেই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন। তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন ও যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। (৪২. আশ শুরা : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) অথবা তিনি তাদেরকে পুত্র সন্তান ও কন্যা সন্তান উভয়ই দান করেন। আর তিনি যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা বানিয়ে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (৪২. আশ শুরা : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) কোনো মানুষের জন্যে এমন হয় না যে, আল্লাহ তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন, তবে এ ব্যতীত যে, ওহীর মাধ্যমে অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে অথবা তিনি কোনো ফেরেশতাকে প্রেরণ করবেন, তারপর আল্লাহ যা চান, ফেরেশতা ওহীকে তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী মানুষের কাছে পৌঁছে দিবে। নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ, প্রজ্ঞাময়। (৪২. আশ শুরা : ৫১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস