(৩৩) তিনি যদি ইচ্ছা করতেন, তবে তিনি বাতাসকে থামিয়ে দিতে পারতেন। তখন জাহাজ সমূহ সমুদ্রের পিঠের উপরে নিশ্চল হয়ে পড়তো। নিশ্চয় এর মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্য্যশীল কৃতজ্ঞদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (৪২. আশ শুরা : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) তোমাদেরকে যা কিছু দেওয়া হয়েছে, তা কেবল মাত্র পার্থিব জীবনের ভোগবিলাস। আর আল্লাহর কাছে যা রয়েছে, তা তাদের জন্যে উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও তাদের প্রভুর উপরে ভরসা করে। (৪২. আশ শুরা : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) এবং যারা তাদের প্রভুর প্রতি সাড়া দেয় এবং নামায প্রতিষ্ঠিত করে। তাদের কাজ তাদের নিজেদের মধ্যে পরামর্শক্রমে হয়। আর আমি তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, ঐ জীবিকা থেকে তারা ব্যয় করে। (৪২. আশ শুরা : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪০) মন্দের প্রতিফল তো তার অনুরূপই মন্দ। কিন্তু যে কেউ ক্ষমা করে, সৎআচরণ করে ও আপোষ করে, তাহলে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয় তিনি জালিমদেরকে ভালোবাসেন না। (৪২. আশ শুরা : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪২) অভিযোগ কেবল মাত্র তাদের বিরুদ্ধেই, যারা মানুষের উপরে অত্যাচার করে এবং পৃথিবীতে অন্যায় ভাবে নির্যাতন করে বেড়ায়। এদের জন্যেই বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (৪২. আশ শুরা : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তবে তার জন্যে তিনি ব্যতীত অন্য কোনো অভিভাবক নেই। অন্যায়কারীরা যখন শাস্তি দেখবে, তখন আপনি তাদেরকে দেখবেন যে, তারা বলছে, “আমাদের ফিরে যাওয়ার কোনো পথ আছে কি?” (৪২. আশ শুরা : ৪৪)
- ব্যাখ্যা