(২৩) বেহেশত হচ্ছে ঐ বিরাট অনুগ্রহ আল্লাহ যার সুসংবাদ দেন তাঁর ঐ বান্দাদেরকে, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে। আপনি বলুন, “আমি তোমাদের কাছে এ আহবানের জন্যে কোনো প্রতিদান চাই না, তবে এ ব্যতীত যে, আমি নিকট আত্মীয়তার ভালোবাসা চাই।” যে কেউ ভালো কাজ অর্জন করে, আমি তার জন্যে ঐ ভালো কাজের মধ্যে আরো পুণ্য বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী। (৪২. আশ শুরা : ২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৪) না কি তারা একথা বলে যে, “মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছেন?” সুতরাং সেই ক্ষেত্রে আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে আপনার হৃদয়ের উপরে মোহর মেরে দিতেন। আল্লাহ মিথ্যাকে মুছে ফেলেন ও নিজ বাণীর দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের অন্তরের অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছেন। (৪২. আশ শুরা : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) আল্লাহ নিজ বান্দাদের থেকে ক্ষমা প্রার্থনাকে গ্রহণ করেন আর মন্দ কার্যাবলী ক্ষমা করেন। আর তোমরা যা করো, তিনি তা জানেন। (৪২. আশ শুরা : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) তিনি তাদের প্রতি সাড়া দেন, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে আর তিনি তাদের প্রতি স্বীয় অনুগ্রহ বাড়িয়ে দেন। বস্তুত অবিশ্বাসীদের জন্যে কঠোর শাস্তি রয়েছে। (৪২. আশ শুরা : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) আল্লাহ যদি সকল বান্দাদের প্রতি প্রচুর জীবিকা বাড়িয়ে দিতেন, তাহলে তারা অবশ্যই পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করতো। কিন্তু তিনি যেমন চান, সেই পরিমাণ মতো জীবিকা অবতীর্ণ করেন। নিশ্চয় তিনি স্বীয় বান্দাদের ব্যাপারে অবগত ও সব কিছু দেখেন। (৪২. আশ শুরা : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পরেও, আল্লাহ বৃষ্টি বর্ষণ করেন আর স্বীয় দয়া মানুষের প্রতি প্রসারিত করেন। তিনিই উত্তম অভিভাবক, প্রশংসিত। (৪২. আশ শুরা : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) তাঁর নিদর্শন সমূহের মধ্যে এক নিদর্শন হচ্ছে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি আর এ দুইয়ের মধ্যে তিনি যে সব জীবজন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন এইগুলোও হচ্ছে অন্যতম নিদর্শন। তিনি যখন ইচ্ছা এগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম। (৪২. আশ শুরা : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩১) তোমরা পৃথিবীর মধ্যে আল্লাহর শাস্তিকে এড়িয়ে যেতে পারবে না। আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমাদের জন্যে কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই। (৪২. আশ শুরা : ৩১)
- ব্যাখ্যা