(৫) ফেরেশতা সমূহের ভারে আকাশ প্রায় ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়, যেহেতু তখন ফেরেশতাগণ তাদের প্রভুর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করে এবং পৃথিবীবাসীর জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে। তোমরা শুনে রেখো, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৪২. আশ শুরা : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করে, আল্লাহ সর্বদাই তাদের উপরে পর্যবেক্ষক হয়ে যান। আর আপনি তাদের উপরে অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত নন। (৪২. আশ শুরা : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) এইভাবেই আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যেনো আপনি মক্কা শহরের ও মক্কার আশে পাশের লোকদেরকে সতর্ক করেন এবং আপনি সমাবেশের দিন সম্পর্কে সতর্ক করেন, যে দিন সম্পর্কে কোনো সন্দেহ নেই। এক দল বেহেশতের মধ্যে ও অন্য এক দল জ্বলন্ত আগুনের মধ্যে প্রবেশ করবে। (৪২. আশ শুরা : ৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি সকল মানুষকে একই জাতিতে পরিণত করতেন। কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর স্বীয় অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করান। বস্তুত অন্যায়কারীদের জন্যে কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই। (৪২. আশ শুরা : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) তারা কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করেছে? কিন্তু আল্লাহই তো একমাত্র অভিভাবক। তিনি মৃতদেরকে জীবিত করেন এবং তিনি সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৪২. আশ শুরা : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) আপনি বলুন, “তোমরা যে কোনো বিষয়েই মতভেদ করো, সুতরাং ঐ বিষয়ের রায় আল্লাহর কাছেই রয়েছে। তিনিই আল্লাহ, যিনি আমার প্রভু, আমি তাঁর উপরেই নির্ভর করি ও আমি তাঁর দিকেই অভিমুখী হয়েছি।” (৪২. আশ শুরা : ১০)
- ব্যাখ্যা