শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


۞إِلَيۡهِ يُرَدُّ عِلۡمُ ٱلسَّاعَةِۚ وَمَا تَخۡرُجُ مِن ثَمَرَٰتٖ مِّنۡ أَكۡمَامِهَا وَمَا تَحۡمِلُ مِنۡ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلۡمِهِۦۚ وَيَوۡمَ يُنَادِيهِمۡ أَيۡنَ شُرَكَآءِي قَالُوٓاْ ءَاذَنَّٰكَ مَامِنَّا مِن شَهِيدٖ ٤٧
(৪৭) কিয়ামতের জ্ঞান কেবল মাত্র তাঁর কাছেই রয়েছে। কোনো ফল তার আবরণের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে না আর কোনো নারী গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসব করে না, তবে এ ব্যতীত যে, বিষয়টি তাঁর জানা থাকে। সেই দিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, “আমার অংশীদাররা কোথায়?” তারা বলবে, “আমরা আপনাকে জানিয়েছি যে, আমাদের মধ্যে আপনার সাথে অংশীদার করার ব্যাপারে কোনো সাক্ষী নেই।” (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَضَلَّ عَنۡهُم مَّا كَانُواْ يَدۡعُونَ مِن قَبۡلُۖ وَظَنُّواْ مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٖ ٤٨
(৪৮) পূর্বে তারা যাদেরকে পূজা করতো, ওরা তাদের থেকে উধাও হয়ে যাবে। আর তারা বুঝে নিবে যে, তাদের জন্যে কোনো আশ্রয় নেই। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

لَّا يَسۡـَٔمُ ٱلۡإِنسَٰنُ مِن دُعَآءِ ٱلۡخَيۡرِ وَإِن مَّسَّهُ ٱلشَّرُّ فَيَـُٔوسٞ قَنُوطٞ ٤٩
(৪৯) মানুষ নিজের জন্যে মঙ্গল প্রার্থনা করায় ক্লান্ত হয় না। কিন্তু যদি তাকে অমঙ্গল স্পর্শ করে, তখন সে সম্পূর্ণ রূপে নিরাশ ও হতাশ হয়ে পড়ে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَئِنۡ أَذَقۡنَٰهُ رَحۡمَةٗ مِّنَّا مِنۢ بَعۡدِ ضَرَّآءَ مَسَّتۡهُ لَيَقُولَنَّ هَٰذَا لِي وَمَآ أَظُنُّ ٱلسَّاعَةَ قَآئِمَةٗ وَلَئِن رُّجِعۡتُ إِلَىٰ رَبِّيٓ إِنَّ لِي عِندَهُۥ لَلۡحُسۡنَىٰۚ فَلَنُنَبِّئَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِمَا عَمِلُواْ وَلَنُذِيقَنَّهُم مِّنۡ عَذَابٍ غَلِيظٖ ٥٠
(৫০) বিপদ স্পর্শ করার পর, আমি যদি মানুষকে আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহের স্বাদ গ্রহণ করাই, তখন সে বলতে থাকে, “এটি আমার জন্যে যোগ্য প্রাপ্য আর আমি মনে করি না যে, কিয়ামত সংঘটিত হবে। আমি যদি আমার প্রভুর কাছে ফিরে যাই, তবে নিশ্চয় তাঁর কাছে আমার জন্যে কল্যাণ রয়েছে।” সুতরাং যারা অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরকে ঐ সম্পর্কে অবশ্যই জানিয়ে দিবো, যা তারা করছিলো। আর আমি তাদেরকে অবশ্যই কঠিন শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাবো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৫০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَإِذَآ أَنۡعَمۡنَا عَلَى ٱلۡإِنسَٰنِ أَعۡرَضَ وَنَـَٔا بِجَانِبِهِۦ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ فَذُو دُعَآءٍ عَرِيضٖ ٥١
(৫১) আমি যখন মানুষের উপরে অনুগ্রহ করি, তখন সে অহঙ্কার করে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও তার পার্শ্ব পরিবর্তন করে। আর যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে সুদীর্ঘ প্রার্থনায় লিপ্ত হয়। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৫১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قُلۡ أَرَءَيۡتُمۡ إِن كَانَ مِنۡ عِندِ ٱللَّهِ ثُمَّ كَفَرۡتُم بِهِۦ مَنۡ أَضَلُّ مِمَّنۡ هُوَ فِي شِقَاقِۭ بَعِيدٖ ٥٢
(৫২) আপনি বলুন, “তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি এ কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়, তারপর তোমরা কুরআনকে অবিশ্বাস করো, তাহলে তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে, যে ব্যক্তি কুরআন সম্পর্কে সুদূর প্রসারী বিরোধীতার মধ্যে লিপ্ত রয়েছে?” (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৫২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

سَنُرِيهِمۡ ءَايَٰتِنَا فِي ٱلۡأٓفَاقِ وَفِيٓ أَنفُسِهِمۡ حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَهُمۡ أَنَّهُ ٱلۡحَقُّۗ أَوَلَمۡ يَكۡفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ شَهِيدٌ ٥٣
(৫৩) আমি শীঘ্রই পৃথিবীর দিগন্তে ও তাদের নিজেদের মধ্যে আমার নিদর্শন সমূহ তাদেরকে দেখাবো, যে পর্যন্ত না, তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এ কুরআন সত্য। তবে কি আপনার প্রভুর এ কথা যথেষ্ট নয় যে, তিনি সব কিছুর সাক্ষী? (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৫৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

أَلَآ إِنَّهُمۡ فِي مِرۡيَةٖ مِّن لِّقَآءِ رَبِّهِمۡۗ أَلَآ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَيۡءٖ مُّحِيطُۢ ٥٤
(৫৪) তোমরা শুনে রেখো, নিশ্চয় তারা তাদের প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহের মধ্যে রয়েছে। তোমরা শুনে রেখো, নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৫৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা