শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنَّكَ تَرَى ٱلۡأَرۡضَ خَٰشِعَةٗ فَإِذَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡهَا ٱلۡمَآءَ ٱهۡتَزَّتۡ وَرَبَتۡۚ إِنَّ ٱلَّذِيٓ أَحۡيَاهَا لَمُحۡيِ ٱلۡمَوۡتَىٰٓۚ إِنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٌ ٣٩
(৩৯) তাঁর নিদর্শন সমূহের মধ্যে একটি নিদর্শন এই যে, আপনি ভূমিকে অনুর্বর দেখতে পান। তারপর আমি যখন ভূমির উপরে বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন ভূমি প্রাণে আন্দোলিত হয় ও শস্য জন্মায়। নিশ্চয় যিনি ভূমিকে জীবিত করেন, তিনিই মৃতদেরকে জীবিত করবেন। নিশ্চয় তিনি সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّ ٱلَّذِينَ يُلۡحِدُونَ فِيٓ ءَايَٰتِنَا لَا يَخۡفَوۡنَ عَلَيۡنَآۗ أَفَمَن يُلۡقَىٰ فِي ٱلنَّارِ خَيۡرٌ أَم مَّن يَأۡتِيٓ ءَامِنٗا يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۚ ٱعۡمَلُواْ مَا شِئۡتُمۡ إِنَّهُۥ بِمَا تَعۡمَلُونَ بَصِيرٌ ٤٠
(৪০) নিশ্চয় যারা আমার বাণী সমূহের ব্যাপারে বক্রতা অবলম্বন করে, তারা আমার কাছে গোপন নয়। যাকে আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করা হবে, তবে কি সে শ্রেষ্ঠ, না কি, যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন নিরাপদে আসবে সে শ্রেষ্ঠ? তোমরা যা ইচ্ছা করে যাও, নিশ্চয় আল্লাহ তা দেখেন, তোমরা যা কিছু করো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِٱلذِّكۡرِ لَمَّا جَآءَهُمۡۖ وَإِنَّهُۥ لَكِتَٰبٌ عَزِيزٞ ٤١
(৪১) যারা স্মারক গ্রন্থ কুরআন আসার পর তা অস্বীকার করে তারা দোযখী। আর নিশ্চয় কুরআন এক সম্মানিত গ্রন্থ। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

لَّا يَأۡتِيهِ ٱلۡبَٰطِلُ مِنۢ بَيۡنِ يَدَيۡهِ وَلَا مِنۡ خَلۡفِهِۦۖ تَنزِيلٞ مِّنۡ حَكِيمٍ حَمِيدٖ ٤٢
(৪২) এ কুরআনের সামনে ও পিছনের দিক থেকে এর কাছে কোনো মিথ্যার প্রভাব নেই। এ কুরআন প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

مَّا يُقَالُ لَكَ إِلَّا مَا قَدۡ قِيلَ لِلرُّسُلِ مِن قَبۡلِكَۚ إِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغۡفِرَةٖ وَذُو عِقَابٍ أَلِيمٖ ٤٣
(৪৩) আপনাকে এ ব্যতীত এমন কিছুই বলা হয় না, যা ইতিপূর্বে আপনার পূর্ববর্তী রসূলগণকে বলা হতো। নিশ্চয় আপনার প্রভু ক্ষমাশীল এবং বেদনাদায়ক শাস্তি দাতা। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَوۡ جَعَلۡنَٰهُ قُرۡءَانًا أَعۡجَمِيّٗا لَّقَالُواْ لَوۡلَا فُصِّلَتۡ ءَايَٰتُهُۥٓۖ ءَا۬عۡجَمِيّٞ وَعَرَبِيّٞۗ قُلۡ هُوَ لِلَّذِينَ ءَامَنُواْ هُدٗى وَشِفَآءٞۚ وَٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ فِيٓ ءَاذَانِهِمۡ وَقۡرٞ وَهُوَ عَلَيۡهِمۡ عَمًىۚ أُوْلَٰٓئِكَ يُنَادَوۡنَ مِن مَّكَانِۭ بَعِيدٖ ٤٤
(৪৪) আমি যদি এ কুরআনকে অনারব ভাষায় বানাতাম, তবে অবশ্যই তারা বলতো, “কুরআনের বাণী সমূহ পরিষ্কার ভাষায় বর্ণনা করা হয়নি কেনো? কি আশ্চর্য যে, অনারব ভাষায় কুরআন আর রসূল আরবী ভাষী!” আপনি বলুন, “যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তাদের জন্যে কুরআন পথ-নির্দেশ ও রোগের প্রতিকার।” আর যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে না, তাদের কানের মধ্যে বধিরতা রয়েছে আর তাদের জন্যে কুরআন অন্ধত্ব স্বরূপ। এদেরকে যেনো কোনো দূরবর্তী স্থান থেকে আহবান করা হচ্ছে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَقَدۡ ءَاتَيۡنَا مُوسَى ٱلۡكِتَٰبَ فَٱخۡتُلِفَ فِيهِۚ وَلَوۡلَا كَلِمَةٞ سَبَقَتۡ مِن رَّبِّكَ لَقُضِيَ بَيۡنَهُمۡۚ وَإِنَّهُمۡ لَفِي شَكّٖ مِّنۡهُ مُرِيبٖ ٤٥
(৪৫) আমি ইতিপূর্বে মূসাকে গ্রন্থ দিয়েছিলাম। তারপর ঐ গ্রন্থের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে। যদি আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে একটি বাণী ইতিপূর্বেই নির্ধারিত না থাকতো, তাহলে অবশ্যই তাদের মধ্যে মীমাংসা হয়ে যেতো। নিশ্চয় তারা এ কুরআন সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে রয়েছে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

مَّنۡ عَمِلَ صَٰلِحٗا فَلِنَفۡسِهِۦۖ وَمَنۡ أَسَآءَ فَعَلَيۡهَاۗ وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّٰمٖ لِّلۡعَبِيدِ ٤٦
(৪৬) যে কেউ সৎকাজ করে, সুতরাং সে তার নিজের মঙ্গলের জন্যেই তা করে। আর যে কেউ অসৎকাজ করে, সুতরাং সে তার নিজের অমঙ্গলের জন্যেই তা করে। আপনার প্রভু বান্দাদের প্রতি অন্যায়কারী নন। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৪৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা