(৩০) নিশ্চয় যারা বলে, “আমাদের প্রভু আল্লাহ”, তারপর তারা এই কথার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, তাদের নিকট ফেরেশতারা অবতীর্ণ হয় ও বলে যে, “তোমরা ভয় করো না ও তোমরা চিন্তা করো না এবং তোমরা ঐ বেহেশতের সুসংবাদ শুনো, যার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে দেওয়া হয়েছিলো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩১) এই পার্থিব জীবনে ও পরকালে আমরা তোমাদের বন্ধু। সেখানে তোমাদের জন্যে তাই থাকবে, যা তোমাদের মন চাইবে। সেখানে তোমাদের জন্যে তাই থাকবে, যা তোমরা দাবী করবে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) তার চাইতে কে কথাবার্তায় উত্তম, যে ব্যক্তি আল্লাহর দিকে মানুষকে আহবান করে ও সৎকাজ করে আর বলে যে, “নিশ্চয় আমি আল্লাহর প্রতি অনুগত”? (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) ভালো ও মন্দ একসমান নয়। আপনি মন্দকে তাই দিয়ে প্রতিহত করুন, যা উত্তম। ফলে যার মধ্যে ও আপনার মধ্যে শত্রুতা রয়েছে, তখন আপনি দেখতে পাবেন যে, সে যেনো আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিনত হয়েছে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) আর এ স্বভাব কেবল মাত্র তারাই পায়, যারা ধৈর্য্যধারণ করে আর এ স্বভাব কেবল মাত্র তারাই পায়, যারা মহা সৌভাগ্যের অধিকারী। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আপনি কোনো কুমন্ত্রণা অনুভব করেন, তবে আপনি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) তাঁর নিদর্শন সমূহের মধ্যে রয়েছে রাত, দিন, সূর্য ও চন্দ্র। যদি তোমরা নিষ্ঠার সঙ্গে কেবল মাত্র তাঁরই উপাসনা করতে চাও, তবে তোমরা সূর্যকে ও চন্দ্রকে সেজদা করো না। বরং তোমরা ঐ আল্লাহকে সেজদা করো, যিনি এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) তারপরও যদি তারা অহঙ্কার করে, তবে তোমরা জেনে রেখো যে, এমন ফেরেশতারা আপনার প্রভুর কাছে আছে, যারা দিনে ও রাতে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং তারা ক্লান্ত হয় না। (সেজদা-১২) (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৮)
- ব্যাখ্যা