শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


إِنَّ ٱلَّذِينَ قَالُواْ رَبُّنَا ٱللَّهُ ثُمَّ ٱسۡتَقَٰمُواْ تَتَنَزَّلُ عَلَيۡهِمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ أَلَّا تَخَافُواْ وَلَا تَحۡزَنُواْ وَأَبۡشِرُواْ بِٱلۡجَنَّةِ ٱلَّتِي كُنتُمۡ تُوعَدُونَ ٣٠
(৩০) নিশ্চয় যারা বলে, “আমাদের প্রভু আল্লাহ”, তারপর তারা এই কথার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, তাদের নিকট ফেরেশতারা অবতীর্ণ হয় ও বলে যে, “তোমরা ভয় করো না ও তোমরা চিন্তা করো না এবং তোমরা ঐ বেহেশতের সুসংবাদ শুনো, যার প্রতি‌শ্রুতি তোমাদেরকে দেওয়া হয়েছিলো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩০) - ব্যাখ্যা , হাদিস
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা , হাদিস

نَحۡنُ أَوۡلِيَآؤُكُمۡ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَفِي ٱلۡأٓخِرَةِۖ وَلَكُمۡ فِيهَا مَا تَشۡتَهِيٓ أَنفُسُكُمۡ وَلَكُمۡ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ ٣١
(৩১) এই পার্থিব জীবনে ও পরকালে আমরা তোমাদের বন্ধু। সেখানে তোমাদের জন্যে তাই থাকবে, যা তোমাদের মন চাইবে। সেখানে তোমাদের জন্যে তাই থাকবে, যা তোমরা দাবী করবে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

نُزُلٗا مِّنۡ غَفُورٖ رَّحِيمٖ ٣٢
(৩২) এটা হবে ক্ষমাশীল অতি দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে এক আপ্যায়ন।” (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَمَنۡ أَحۡسَنُ قَوۡلٗا مِّمَّن دَعَآ إِلَى ٱللَّهِ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ ٱلۡمُسۡلِمِينَ ٣٣
(৩৩) তার চাইতে কে কথাবার্তায় উত্তম, যে ব্যক্তি আল্লাহর দিকে মানুষকে আহবান করে ও সৎকাজ করে আর বলে যে, “নিশ্চয় আমি আল্লাহর প্রতি অনুগত”? (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَا تَسۡتَوِي ٱلۡحَسَنَةُ وَلَا ٱلسَّيِّئَةُۚ ٱدۡفَعۡ بِٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُ فَإِذَا ٱلَّذِي بَيۡنَكَ وَبَيۡنَهُۥ عَدَٰوَةٞ كَأَنَّهُۥ وَلِيٌّ حَمِيمٞ ٣٤
(৩৪) ভালো ও মন্দ একসমান নয়। আপনি মন্দকে তাই দিয়ে প্রতিহত করুন, যা উত্তম। ফলে যার মধ্যে ও আপনার মধ্যে শত্রুতা রয়েছে, তখন আপনি দেখতে পাবেন যে, সে যেনো আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিনত হয়েছে। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلَّذِينَ صَبَرُواْ وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ذُو حَظٍّ عَظِيمٖ ٣٥
(৩৫) আর এ স্বভাব কেবল মাত্র তারাই পায়, যারা ধৈর্য্যধারণ করে আর এ স্বভাব কেবল মাত্র তারাই পায়, যারা মহা সৌভাগ্যের অধিকারী। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ نَزۡغٞ فَٱسۡتَعِذۡ بِٱللَّهِۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلۡعَلِيمُ ٣٦
(৩৬) যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আপনি কোনো কুমন্ত্রণা অনুভব করেন, তবে আপনি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَمِنۡ ءَايَٰتِهِ ٱلَّيۡلُ وَٱلنَّهَارُ وَٱلشَّمۡسُ وَٱلۡقَمَرُۚ لَا تَسۡجُدُواْ لِلشَّمۡسِ وَلَا لِلۡقَمَرِ وَٱسۡجُدُواْۤ لِلَّهِۤ ٱلَّذِي خَلَقَهُنَّ إِن كُنتُمۡ إِيَّاهُ تَعۡبُدُونَ ٣٧
(৩৭) তাঁর নিদর্শন সমূহের মধ্যে রয়েছে রাত, দিন, সূর্য ও চন্দ্র। যদি তোমরা নিষ্ঠার সঙ্গে কেবল মাত্র তাঁরই উপাসনা করতে চাও, তবে তোমরা সূর্যকে ও চন্দ্রকে সেজদা করো না। বরং তোমরা ঐ আল্লাহকে সেজদা করো, যিনি এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَإِنِ ٱسۡتَكۡبَرُواْ فَٱلَّذِينَ عِندَ رَبِّكَ يُسَبِّحُونَ لَهُۥ بِٱلَّيۡلِ وَٱلنَّهَارِ وَهُمۡ لَا يَسۡـَٔمُونَ۩ ٣٨
(৩৮) তারপরও যদি তারা অহঙ্কার করে, তবে তোমরা জেনে রেখো যে, এমন ফেরেশতারা আপনার প্রভুর কাছে আছে, যারা দিনে ও রাতে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং তারা ক্লান্ত হয় না। (সেজদা-১২) (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ৩৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা