(২১) তারা তাদের নিজেদের চামড়াকে বলবে, “তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে কেনো?” চামড়া বলবে, “আল্লাহ যিনি সব কিছুকে কথা বলান, তিনিই আমাদেরকে কথা বলিয়েছেন। আর তিনিই তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন আর তোমরা তাঁর কাছেই ফিরে এসেছো।” (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) আর তোমরা পাপ কাজ করার সময় কোনো কিছু গোপন করতে না, এ ধারণার বশবর্তী হয়ে যে, তোমাদের কান, তোমাদের চোখ ও তোমাদের চামড়া তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না। বরং তোমরা মনে করতে যে, তোমরা যা করো তার অনেক কিছুই আল্লাহ জানেন না। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৩) তোমাদের প্রভু সম্পর্কে তোমাদের এ ধারণাই তোমাদেরকে ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৪) তারপর যদি তারা ধৈর্য্যধারণ করে, তবুও আগুনই তাদের ঠিকানা হবে। আর যদি তারা অনুগ্রহ চায়, তাহলে তারা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হবে না। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) আমি তাদের জন্যে শয়তানদেরকে তাদের পিছনে সঙ্গী হিসেবে লাগিয়ে দিয়েছিলাম। তারপর শয়তানরা তাদের সামনের ও তাদের পিছনের কাজকে তাদের দৃষ্টিতে সুশোভিত করেছিলো। ফলে জ্বিন ও মানুষের বিরুদ্ধে আল্লাহর শাস্তির বাণী বাস্তবায়িত হলো, যেমন শাস্তির বাণী তাদের পূর্ববর্তী জাতির মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছিলো। নিশ্চয় ওরা ক্ষতিগ্রস্ত ছিলো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৭) সেই জন্যে যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদেরকে আমি অবশ্যই কঠিন শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাবো। আর যারা মন্দ কাজ করতো, তাদেরকে আমি অবশ্যই মন্দ প্রতিদান দিবো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) আগুনই হচ্ছে আল্লাহর শত্রুদের প্রতিদান। এর মধ্যে তাদের জন্যে চিরস্থায়ী আবাস রয়েছে, যেহেতু তারা আমার বাণী সমূহ নিয়ে বিতর্ক করতো। (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা বলবে, “হে আমাদের প্রভু! জ্বিন ও মানুষের মধ্যে যারা আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলো, তাদেরকে দেখিয়ে দিন, আমরা তাদেরকে আমাদের পায়ের তলায় পদদলিত করবো, যেনো তারা অপমানিত হয়।” (৪১. হা-মীম সেজদাহ / ফুসসিলাত : ২৯)
- ব্যাখ্যা