(৪২) তোমরা আমাকে আহবান করছো, যেনো আমি আল্লাহকে অবিশ্বাস করি ও আমি তাঁর সঙ্গে এমন বস্তুকে অংশীদার করি, যার সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই। অথচ আমি তোমাদেরকে আহবান করছি পরাক্রমশীল, ক্ষমাশীল আল্লাহর দিকে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, তোমরা আমাকে কেবল মাত্র যার প্রতি আহবান করছো, ইহকালে ও পরকালে তার জন্যে কোনো আহবান নেই। আর এটাও সত্য যে, আমাদেরকে আল্লাহর দিকেই ফিরে যেতে হবে। আর এটাও সত্য যে, নিশ্চয় যারা সীমালঙ্ঘকারী, তারা হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) সুতরাং আমি তোমাদেরকে যা বলছি, শীঘ্রই তোমরা একদিন তা স্মরণ করবে। আর আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি। নিশ্চয় আল্লাহ নিজ বান্দাদের সব কিছু দেখেন।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) তারপর আল্লাহ ঐ বিশ্বাসীকে তাদের চক্রান্ত থেকে রক্ষা করলেন। আর ফিরআউনের জাতিকে মন্দ শাস্তি দিয়ে ঘেরাও করলেন। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) কবরের মধ্যে সকালে ও সন্ধ্যায় তাদেরকে আগুনের সামনে আনা হয় আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সেই দিন আদেশ করা হবে, “ফিরআউনের জাতিকে কঠোরতম শাস্তির মধ্যে প্রবেশ করাও।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৭) যখন তারা আগুনের মধ্যে পরস্পর বিতর্ক করবে, তখন দূর্বলরা অহঙ্কারীদেরকে বলবে, “নিশ্চয় আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম। সুতরাং তোমরা আগুনের শাস্তির কিছু অংশ আমাদের থেকে সরিয়ে নিবে কি?” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) যারা আগুনের মধ্যে থাকবে, তারা দোযখের প্রহরীদেরকে বলবে, “তোমরা তোমাদের প্রভুকে ডেকে বলো, আল্লাহ যেনো আমাদের থেকে একদিনের শাস্তি হাল্কা করেদেন।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪৯)
- ব্যাখ্যা