(৩৪) ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে ইউসুফ আলাইহিস সালাম স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন, তারপর তোমরা ঐ বিষয়ে সন্দেহের মধ্যে ছিলে, যা নিয়ে তিনি তোমাদের কাছে এসেছিলেন। অবশেষে যখন তিনি মৃতুবরণ করলেন, তখন তোমরা বললে, ‘আল্লাহ ইউসুফ আলাইহিস সালামের পরে কখনো কোনো রসূল পাঠাবেন না।’ এইভাবে আল্লাহ তাকে পথভ্রষ্ট করেন, যে ব্যক্তি সীমালঙ্ঘনকারী ও সন্দেহকারী। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) যারা তাদের নিজেদের কাছে আগত কোনো দলীল ছাড়াই আল্লাহর বাণী সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা সবাই আল্লাহ ও বিশ্বাসীদের কাছে খুবই ঘৃণিত। এইভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহঙ্কারী, স্বৈরাচারী ব্যক্তির হৃদয়ের উপরে মোহর মেরে দেন।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) তারপর আমি আকাশের পথে পৌঁছে মূসার উপাস্যকে উঁকি মেরে দেখবো। কিন্তু আমি তো মূসাকে মিথ্যাবাদীই মনে করি।” এভাবেই ফিরআউনের জন্যে তার মন্দ কর্মকে তার কাছে সুশোভিত করা হয়েছিলো। ফিরআউনকে সরল পথ থেকে বিরত রাখা হয়েছিলো। আর ফিরআউনের চক্রান্ত সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ হয়েছে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) আর যে ব্যক্তি বিশ্বাস করেছিলো সে বললো, “হে আমার জাতি, তোমরা আমার অনুসরণ করো। আমি তোমাদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শন করবো। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৪০) যে কেউ মন্দ কাজ করে, তবে তাকে তার মন্দ কাজের সমান প্রতিদান দেওয়া হবে। আর পুরুষ বা নারীর মধ্যে থেকে যে কেউ সৎকাজ করে ও সে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়, তবে এরাই বেহেশতে প্রবেশ করবে। সেখানে তাদেরকে বেহিসাব জীবিকা দেওয়া হবে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪০)
- ব্যাখ্যা