(১৭) সেই দিন প্রত্যেক ব্যক্তিকে, তাদের কৃতকর্মের কারণে প্রতিদান দেওয়া হবে। সেই দিন কারো প্রতি কোনো অবিচার করা হবে না। নিশ্চয় আল্লাহ হিসাব গ্রহণে দ্রুত। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) আপনি তাদেরকে আসন্ন সেই দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন মানুষের প্রাণ কণ্ঠাগত হবে ও কষ্টে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। সেই দিন অন্যায়কারীদের জন্যে কোনো বন্ধু থাকবে না ও এমন কোনো সুপারিশকারী থাকবে না, যার সুপারিশ মেনে নেওয়া হবে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(২০) আল্লাহ সঠিক ভাবে বিচার করেন। তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদেরকে ডাকে, ওরা কোনো কিছুই বিচার করে না। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছু শুনেন, সব কিছু দেখেন। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) তবে কি তারা পৃথিবীর মধ্যে ভ্রমণ করে না, তাহলে তারা তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কেমন হয়েছিলো তা দেখতে পেতো? তারা শক্তি ও কীর্তিতে পৃথিবীর মধ্যে এদের অপেক্ষা অধিক প্রবল ছিলো। তারপর আল্লাহ ওদেরকে ওদের অপরাধের কারণে পাকড়াও করলেন আর তখন আল্লাহর শাস্তি থেকে ওদেরকে রক্ষার জন্যে কেউ ছিলো না। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) এর কারণ এই যে, তারা এমন ছিলো যে, যখন তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শন সমূহ নিয়ে এসেছিলেন, তখন তারা অবিশ্বাস করেছিলো, তারপর আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করলেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিশালী, প্রতিফল দানে কঠোর। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৫) তারপর যখন আমার পক্ষ থেকে সত্য নিয়ে মূসা তাদের কাছে পৌঁছালেন; তখন তারা বললো যে, “যারা মূসার সঙ্গে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছে, তোমরা তাদের পুত্র সন্তানদেরকে হত্যা করো ও তাদের কন্যাদেরকে জীবিত রাখো।” বস্তুত অবিশ্বাসীদের চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েই থাকে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ২৫)
- ব্যাখ্যা