(৮) হে আমাদের প্রভু! তাদেরকে চিরকাল বসবাসের ঐ বেহেশতে প্রবেশ করান, যে বেহেশতের অঙ্গীকার আপনি তাদেরকে দিয়েছেন। আর তাদের বাপ-দাদা, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে থেকে যারা সৎকাজ করে, তাদেরকেও বেহেশতে প্রবেশ করান। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) আর আপনি তাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। সেই দিন আপনি যাকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, সুতরাং আপনি তার প্রতি অবশ্যই প্রকৃত অনুগ্রহ করবেন। এটাই হচ্ছে মহা সাফল্য।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) নিশ্চয় যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তাদেরকে উচ্চঃস্বরে বলা হবে, “আজকের এই দিনে তোমাদের নিজেদের প্রতি তোমাদের এ ক্ষোভ অপেক্ষা আল্লার প্রতি তোমাদের ক্ষোভ অবশ্যই অধিক ছিলো, যখন তোমাদেরকে ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি আহবান করা হয়েছিলো, তারপর তোমরা অবিশ্বাস করেছিলে।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) তারা বলবে, “হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে দুইবার মৃত্যু দিয়েছেন। আর আপনি আমাদেরকে দুইবার জীবন দিয়েছেন। সুতরাং আমরা আমাদের অপরাধ সমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং এখন দোযখ থেকে বাহির হওয়ার কোনো পথ আছে কি?” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) দোযখীদেরকে বলা হবে, “তোমাদের এ বিপদ এজন্যে যে, যখন আল্লাহকে তাঁর একত্বের সাথে ডাকা হতো, তখন তোমরা আল্লাহর একত্বের প্রতি অবিশ্বাসী হয়ে যেতে। আর যদি তাঁর সঙ্গে অংশীদার করা হতো, তখন তোমরা বিশ্বাস করতে। সুতরাং এখন বিচার কেবল মাত্র আল্লাহর হাতেই, যিনি সর্বোচ্চ, মহান।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শন সমূহ দেখিয়ে থাকেন এবং তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে জীবিকা অবতীর্ণ করেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ করে, কেবল মাত্র সেই উপদেশ গ্রহণ করে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৫) আল্লাহ সুউচ্চ মর্যাদাবান, সিংহাসনের অধিকারী, তিনি স্বীয় আদেশক্রমে বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা ফেরেশতা অবতীর্ণ করেন, যেনো সে সাক্ষাতের দিন সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করতে পারে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) যেদিন তারা কবর থেকে বের হয়ে পড়বে, আল্লাহর কাছে তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। আল্লাহ বলবেন, “আজকের দিনে রাজত্ব কার জন্যে? আজকের দিনে রাজত্ব একক মহা শক্তিশালী আল্লাহর জন্যেই।” (৪০. আল মুমিন / গাফির : ১৬)
- ব্যাখ্যা