(৭৫) আপনি ফেরেশতাগণকে দেখবেন যে, তারা সিংহাসনের চার পাশে ঘিরে রয়েছে ও তাদের প্রভুর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা ঘোষনা করছে। মানুষ ও জ্বিনদের মধ্যে ন্যায়ভাবে বিচার করা হবে। আর বলা হবে, “বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর জন্যেই সকল প্রশংসা।” (৩৯. আয যুমার : ৭৫)
- ব্যাখ্যা
(৩) সকল পাপ ক্ষমাকারী, ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণকারী, প্রতিফল দানে কঠোর ও প্রাচুর্যের অধিকারী। তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। তাঁর কাছেই সকলকে ফিরে আসতে হবে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) কেবল মাত্র অবিশ্বাসীরাই আল্লাহর বাণী সম্পর্কে বিতর্ক করে। সুতরাং শহরে মধ্যে তাদের চলাফেরা যেনো আপনাকে বিভ্রান্ত না করে। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) এদের পূর্বে নূহের জাতি ও তাদের পরে অন্য অনেক দল আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিলো। প্রত্যেক জাতি তাদের নিজ রসূলকে হত্যা করার ইচ্ছা করেছিলো। তারা মিথ্যার সাহায্যে বিতর্ক করতো, যেনো তারা মিথ্যার দ্বারা সত্য ধর্মকে ব্যর্থ করে দিতে পারে। তারপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করলাম। সুতরাং কেমন ছিলো আমার শাস্তি! (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) এভাবেই যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদের বিরুদ্ধে আপনার প্রভুর এ বাণী সত্য হলো যে, “তারা হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা”। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) যেসকল ফেরেশতারা সিংহাসন বহন করে ও যারা সিংহাসনের চারপাশে আছে, তারা তাদের প্রভুর প্রশংসার সহিত পবিত্রতা বর্ণনা করে ও তারা তাঁর প্রতি বিশ্বাস করে। আর ফেরেশতারা বিশ্বাসীদের জন্যে এই বলে ক্ষমা প্রার্থনা করে যে, “হে আমাদের প্রভু, আপনি আপনার দয়া ও জ্ঞান দ্বারা সব কিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন। সুতরাং যারা ক্ষমা প্রার্থনা করে আর আপনার পথ অনুসরণ করে, তাদেরকে আপনি ক্ষমা করুন। আর তাদেরকে আপনি জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। (৪০. আল মুমিন / গাফির : ৭)
- ব্যাখ্যা