(৪৮) তাদের জন্যে ঐ কাজের মন্দ পরিণাম প্রকাশ হয়ে পড়বে, যা তারা অর্জন করেছিলো। আর যে শাস্তির বিষয় নিয়ে তারা বিদ্রূপ করতো, ঐ শাস্তি তাদেরকে ঘিরে ফেলবে। (৩৯. আয যুমার : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) মানুষকে যখন কোনো বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকে। তারপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দান করি, তখন সে বলে, “আমাকে কেবল মাত্র আমার জ্ঞানের কারণে এ অনুগ্রহ দেওয়া হয়েছে।” অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না। (৩৯. আয যুমার : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫১) সুতরাং ঐ কাজের মন্দ পরিণাম ওদেরকে পাকড়াও করলো, যা ওরা অর্জন করেছিলো। আর এদের মধ্যে যারা অন্যায় করে, শীঘ্রই ঐ কাজের মন্দ পরিণাম তাদেরকে পাকড়াও করবে, যা তারা অর্জন করেছে। আর তারা ঐ শাস্তিকে বাধা দিতে সক্ষম হবে না। (৩৯. আয যুমার : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫২) তবে কি তারা জানে না যে, আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা জীবিকা প্রশস্ত করে দেন এবং যার জন্যে ইচ্ছা জীবিকা সঙ্কুচিত করে দেন? নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে। (৩৯. আয যুমার : ৫২)
- ব্যাখ্যা
(৫৩) আপনি বলুন, “হে আমার আল্লাহর বান্দাগণ, যারা তাদের নিজেদের উপরে অন্যায় করেছো, তোমরা আল্লাহর দয়া থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৩৯. আয যুমার : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৪) তোমরা তোমাদের প্রভুর প্রতি অভিমূখী হও এবং তাঁর প্রতি আত্মসমর্পণ করো, এর পূর্বে যে, তোমাদের কাছে শাস্তি এসে পড়ে। শাস্তি এসে পড়লে তারপর তোমরা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না। (৩৯. আয যুমার : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) তোমরা ঐ উত্তম গ্রন্থের অনুসরণ করো, যে কুরআন তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, এরপূর্বে যে, তোমাদের কাছে হঠাৎ করে শাস্তি এসে পড়ে। আর তখন তোমরা শাস্তির সংবাদ জানতেও পারবে না।” (৩৯. আয যুমার : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) যেনো কেউ না বলে যে, “হায় আমার জন্যে আফসোস! আমি আল্লাহর দেওয়া দায়িত্বে অবহেলা করেছি। নিশ্চয় আমি বিদ্রুপকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম।” (৩৯. আয যুমার : ৫৬)
- ব্যাখ্যা