(৪১) নিশ্চয় আমি আপনার প্রতি মানুষের কল্যাণের জন্যে সত্যসহ এ কুরআন অবতীর্ণ করেছি। সুতরাং যে ব্যক্তি সৎপথে আসে, তবে সে নিজের কল্যাণের জন্যেই আসে। আর যে ব্যক্তি পথভ্রষ্ট হয়, সুতরাং নিশ্চয় সে তার নিজের অনিষ্টের জন্যেই পথভ্রষ্ট হয়। বস্তুত আপনি তাদের উপরে অভিভাবক নন। (৩৯. আয যুমার : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) আল্লাহ মানুষের মৃত্যুর সময়ে আত্মা কবয করেন। আর যে মরে না, তার ঘুমের মধ্যে আল্লাহ তার আত্মা কবয করেন। তারপর তিনি ঐ আত্মাকে নিজের কাছে রেখে দেন, যার উপরে তিনি মৃত্যু স্থির করেছেন। আর অন্যান্যদের আত্মা তাদের নিকট প্রেরণ করেন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা চিন্তা করে। (৩৯. আয যুমার : ৪২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৩) না কি তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো সুপারিশকারী গ্রহণ করেছে? আপনি বলুন, “যদিও কি ঐ সুপারিশকারীরা হচ্ছে এমন যে, তারা কোনো কিছুতেই ক্ষমতা রাখে না আর তারা কোনো কিছু না বুঝলেও কি, তোমরা তাদেরকে সুপারিশকারী হিসেবে গ্রহণ করবে?” (৩৯. আয যুমার : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) আপনি বলুন, “সকল সুপারিশ আল্লাহরই ক্ষমতাধীন, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সম্রাজ্য তাঁর জন্যেই। তারপর তাঁর কাছেই তোমরা ফিরে আসবে।” (৩৯. আয যুমার : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) যখন আল্লাহর একত্বের সহিত খাঁটিভাবে তাঁর নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন যারা পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না, তাদের হৃদয় সঙ্কুচিত হয়ে যায়। আর যখন আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য উপাস্যদের নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন তারা আনন্দে উল্লাস করে। (৩৯. আয যুমার : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) আপনি বলুন, “হে আল্লাহ! নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আদি স্রষ্টা, অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী, আপনিই আপনার বান্দাদের মধ্যে ঐ বিষয়ে বিচার করে দিন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করছে।” (৩৯. আয যুমার : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) যারা অন্যায় করে, পৃথিবীর মধ্যে যা আছে তার সবটাই যদি তাদের জন্যে হতো এবং তার সঙ্গে এর সমপরিমাণ আরো থাকতো, তবে অবশ্যই তারা এ সব কিছু দ্বারা কিয়ামতের দিনে মন্দ শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে চাইতো। অথচ তাদের জন্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন শাস্তি প্রকাশ পাবে, যা তারা কল্পনাও করতো না। (৩৯. আয যুমার : ৪৭)
- ব্যাখ্যা