(৩২) সুতরাং তার চাইতে কে বেশী অন্যায়কারী, যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলে ও সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, যখন সত্য তার কাছে আসে? অবিশ্বাসীদের বাসস্থান দোযখের মধ্যে নয় কি? (৩৯. আয যুমার : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্যে যথেষ্ট নন? অথচ তারা আপনাকে তাঁর পরিবর্তে অন্যান্য উপাস্যদের ভয় দেখায়। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তবে তার জন্যে কোনো পথ প্রদর্শক নেই। (৩৯. আয যুমার : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) আর আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তবে তার জন্যে কোনো পথ ভ্রষ্টকারী নেই। আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী নন? (৩৯. আয যুমার : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, “নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল কে সৃষ্টি করেছে?” অবশ্যই তারা বলবে, “আল্লাহ”। আপনি বলুন, “সুতরাং তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যদি আল্লাহ আমার জন্যে অনিষ্ট করার ইচ্ছা করেন, তবে তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে ডাকো, তারা কি আল্লাহর দেওয়া ঐ অনিষ্টকে দূর করতে পারবে? অথবা আল্লাহ যদি আমার জন্যে অনুগ্রহ করার ইচ্ছা করেন, তবে তারা কি আল্লাহর দেওয়া ঐ অনুগ্রহকে বাধা দিতে পারবে?” আপনি বলুন, “আমার জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট।” নির্ভরকারীরা তাঁর উপরেই নির্ভর করে। (৩৯. আয যুমার : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) আপনি বলুন, “হে আমার জাতি, তোমরা তোমাদের নিয়ম অনুসারে কাজ করো, নিশ্চয় আমিও আমার নিয়ম অনুসারে কাজ করছি। সুতরাং তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে, (৩৯. আয যুমার : ৩৯)
- ব্যাখ্যা