(১৫) অতএব, তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাকে ইচ্ছা উপাসনা করো।” আপনি বলুন, “নিশ্চয় তারাই বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যারা কিয়ামতের দিনে তাদের নিজেদের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তোমরা জেনে রেখো, এটিই হচ্ছে সুস্পষ্ট ক্ষতি।” (৩৯. আয যুমার : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) তাদের জন্যে তাদের মাথার উপর দিক থেকে ও পায়ের নীচের দিক থেকে আগুনের মেঘমালা থাকবে। এইভাবে এ শাস্তি দ্বারা আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে ভয় প্রদর্শন করেন। সুতরাং হে আমার বান্দাগণ, তোমরা আমাকে ভয় করো। (৩৯. আয যুমার : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) যারা শয়তানের শক্তির পূজা করাকে এড়িয়ে চলে আর আল্লাহর দিকে অভিমুখী হয়, তাদের জন্যে সুসংবাদ রয়েছে। সুতরাং আপনি আমার এমন বান্দাদেরকে সুসংবাদ দিন। (৩৯. আয যুমার : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) যারা মন দিয়ে আল্লাহর কথা শুনে, তারপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। এরাই তারা যাদেরকে আল্লাহ সৎপথে পরিচালিত করেন আর এরাই জ্ঞানের অধিকারী। (৩৯. আয যুমার : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) তবে কি সে মুক্তি পাবে যার জন্যে শাস্তির হুকুম অবধারিত হয়ে গেছে? সুতরাং আপনিও কি তাকে মুক্ত করতে পারবেন, যে আগুনের মধ্যে রয়েছে? (৩৯. আয যুমার : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) কিন্তু যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, তাদের জন্যে প্রাসাদের উপর প্রাসাদ নির্মিত আছে। এ প্রাসাদ গুলোর নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত। বিশ্বাসীদের জন্যে আল্লাহ এ প্রাসাদ গুলোর অঙ্গীকার দিয়েছেন। আল্লাহ স্বীয় অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন না। (৩৯. আয যুমার : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) আপনি কি দেখেননি যে, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। তারপর ঐ পানিকে পৃথিবীর মধ্যে স্রোতরূপে প্রবাহিত করেন। তারপর ঐ পানি দ্বারা তিনি বিভিন্ন বর্ণের ফসল উৎপন্ন করেন। তারপর এ ফসল শুকিয়ে যায়, ফলে আপনি তাকে নষ্ট হয়ে যেতে দেখতে পান। তারপর আল্লাহ এ ফসলকে খড় কুটা বানিয়ে ফেলেন। নিশ্চয় এর মধ্যে জ্ঞানীদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। (৩৯. আয যুমার : ২১)
- ব্যাখ্যা