(২৭) আমি আকাশ ও পৃথিবী এবং এই দুইয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা অযথা সৃষ্টি করিনি। এটা কেবল মাত্র তাদের ধারণা, যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে। সুতরাং তাদের জন্যে আফসোস যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, নিশ্চয় তারা আগুনের মধ্যে থাকবে। (৩৮. ছোয়াদ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) যারা আমার প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, এদেরকে কি আমি তাদের সমতুল্য করে দিবো, যারা পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? না কি আমি মুত্তাকীদেরকে পাপিষ্ঠদের সমতুল্য করে দিবো? (৩৮. ছোয়াদ : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) কুরআন একটি কল্যাণময় গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যেনো মানুষ ও জ্বিন এ কুরআনের বাণীগুলো সম্পর্কে চিন্তা করে আর যেনো জ্ঞানের অধিকারীরা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে। (৩৮. ছোয়াদ : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) আমি দাউদের জন্যে সুলায়মানকে পুত্র হিসেবে দিয়েছিলাম। সুলায়মান একজন উত্তম বান্দা ছিলেন। নিশ্চয় সুলায়মান আল্লাহ অভিমুখী ছিলেন। (৩৮. ছোয়াদ : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩২) তখন সুলায়মান বললেন, “নিশ্চয় আমি সম্পদকে ভালোবাসি, আমার প্রভুকে স্মরণ করার উদ্দেশ্যেই।” অবশেষে ঘোড়া সমূহ পর্দার আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেলো। (৩৮. ছোয়াদ : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) সুলায়মান বললেন, “ঐ ঘোড়া সমূহকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো।” তারপর তিনি ঘোড়া সমূহের পা ও ঘাড়ে হাত দিয়ে স্পর্শ করতে লাগলেন। (৩৮. ছোয়াদ : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) অবশ্যই আমি সুলায়মানকে পরীক্ষা করেছিলাম আর আমি তার সিংহাসনের উপরে একটি নিষ্প্রাণ দেহ রেখে দিয়েছিলাম। তারপর সুলায়মান আল্লাহ অভিমুখী হলেন। (৩৮. ছোয়াদ : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) সুলায়মান বললেন, “হে আমার প্রভু, আমাকে ক্ষমা করুন আর আমাকে এমন এক সম্রাজ্য দান করুন, যা আমার পরে অন্য কেউ পেতে পারবে না। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।” (৩৮. ছোয়াদ : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৯) আমি সুলায়মানকে বলেছিলাম, “এ সম্পদ সমূহ হচ্ছে আমার অনুগ্রহ, অতএব এগুলো তুমি কাউকে দান করো অথবা তোমার নিজের কাছে রেখে দাও; এর কোনো হিসাব দিতে হবে না।” (৩৮. ছোয়াদ : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪১) আপনি আমার বান্দা আইয়ূবকে স্মরণ করুণ, যখন তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকেছিলেন, এই বলে যে, “নিশ্চয় ক্লান্তি ও কষ্ট দিয়ে শয়তান আমাকে স্পর্শ করেছে।” (৩৮. ছোয়াদ : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) আমি আইয়ূবকে বলেছিলাম, “তোমার পা দিয়ে তুমি ভূমিকে আঘাত করো, ফলে এক ঝর্ণা নির্গত হলো। এটি এমন এক ঝর্ণার পানি, যা গোসলের পানি ও পান করার জন্যে শীতল পানীয় ছিলো।” (৩৮. ছোয়াদ : ৪২)
- ব্যাখ্যা