(১৭) তারা যা বলে, ঐ বিষয়ের উপরে আপনি ধৈর্য্যধারণ করুন। আর আপনি আমার বান্দা দাউদকে স্মরণ করুন, যিনি সৎকর্মশীল হাতের অধিকারী ছিলেন। নিশ্চয় তিনি আল্লাহ অভিমুখী ছিলেন। (৩৮. ছোয়াদ : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) নিশ্চয় আমি পাহাড় সমূহকে দাউদের অনুগামী করে দিয়েছিলাম, পাহাড় সমূহ সকাল ও সন্ধ্যায় দাউদের সঙ্গে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করতো; (৩৮. ছোয়াদ : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(২০) আমি দাউদের সম্রাজ্যকে সুদৃঢ় করেছিলাম আর আমি তাঁকে প্রজ্ঞা দান করেছিলাম ও বিচার করার জন্যে কথার কৌশল শিক্ষা দিয়েছিলাম। (৩৮. ছোয়াদ : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২২) যখন তারা দাউদের সামনে প্রবেশ করলো, তখন তিনি তাদের কারণে ভীত হলেন। তারা বললো, “আপনি ভয় করবেন না। আমরা বিবাদমান দুটি পক্ষ, আমাদের একজন অন্যজনের উপর বাড়াবাড়ি করেছি। অতএব, আপনি আমাদের মধ্যে ন্যায় বিচার করুন আর আপনি অবিচার করবেন না। আর আপনি আমাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করুন। (৩৮. ছোয়াদ : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) এই ব্যক্তি আমার ভাই, তার নিরানব্বইটি মাদী দুম্বা আছে ও আমার একটিমাত্র মাদী দুম্বা আছে। তারপরেও সে বলে, ‘এটিও আমাকে দিয়ে দাও’। আর সে কথাবার্তায় আমার উপরে বল প্রয়োগ করে।” (৩৮. ছোয়াদ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) দাউদ বললেন, “অবশ্যই সে তোমার প্রতি অবিচার করেছে, তোমার মাদী দুম্বাটিকে তার নিজের মাদী দুম্বাগুলোর সাথে সংযুক্ত করার দাবী করে। নিশ্চয় অংশীদারদের মধ্যে অনেকেই তাদের একে অপরের প্রতি শত্রুতা করে থাকে। তবে তারা শত্রুতা করে না, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে। আর এমন লোকের সংখ্যা অনেক অল্প।” দাউদের খেয়াল হলো যে, আসলে আমি তাঁকে পরীক্ষা করছি। সুতরাং তিনি তাঁর প্রভুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন, আনত হয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন এবং আল্লাহ অভিমুখী হলেন। (সেজদা-১১) (৩৮. ছোয়াদ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৬) আমি দাউদকে বলেছিলাম, “হে দাউদ! নিশ্চয় আমি তোমাকে পৃথিবীর মধ্যে প্রতিনিধি বানিয়েছি, সুতরাং তুমি মানুষের মাঝে ন্যায়ভাবে বিচার করো ও তোমার নিজের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করো না। যদি তুমি তোমার নিজের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করো তবে তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে পথভ্রষ্ট করে দিবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে পথভ্রষ্ট হয়, তাদের জন্যে কঠোর শাস্তি রয়েছে, যেহেতু তারা হিসাবের দিনকে ভুলে যায়।” (৩৮. ছোয়াদ : ২৬)
- ব্যাখ্যা