শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


وَٱضۡرِبۡ لَهُم مَّثَلًا أَصۡحَٰبَ ٱلۡقَرۡيَةِ إِذۡ جَآءَهَا ٱلۡمُرۡسَلُونَ ١٣
(১৩) আপনি তাদের কাছে ঐ জনপদের অধিবাসীদের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করুন, যখন সেখানে রসূলগন এসেছিলেন। (৩৬. ইয়াসীন : ১৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِذۡ أَرۡسَلۡنَآ إِلَيۡهِمُ ٱثۡنَيۡنِ فَكَذَّبُوهُمَا فَعَزَّزۡنَا بِثَالِثٖ فَقَالُوٓاْ إِنَّآ إِلَيۡكُم مُّرۡسَلُونَ ١٤
(১৪) যখন আমি ওদের কাছে দুই জন রসূল প্রেরণ করেছিলাম, তারপর ওরা উভয়কে মিথ্যাবাদী বললো। তখন আমি তাদেরকে তৃতীয় একজনের মাধ্যমে শক্তিশালী করলাম। তারপর তাঁরা সবাই বললেন, “নিশ্চয় আমরা তোমাদের প্রতি প্রেরিত রসূল।” (৩৬. ইয়াসীন : ১৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالُواْ مَآ أَنتُمۡ إِلَّا بَشَرٞ مِّثۡلُنَا وَمَآ أَنزَلَ ٱلرَّحۡمَٰنُ مِن شَيۡءٍ إِنۡ أَنتُمۡ إِلَّا تَكۡذِبُونَ ١٥
(১৫) ওরা বললো, “তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ। আর দয়াময় আল্লাহ কোনো কিছুই অবতীর্ণ করেননি। বস্তুত তোমরা মিথ্যাই বলছো।” (৩৬. ইয়াসীন : ১৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالُواْ رَبُّنَا يَعۡلَمُ إِنَّآ إِلَيۡكُمۡ لَمُرۡسَلُونَ ١٦
(১৬) রসূলগণ বললেন, “নিশ্চয় আমাদের প্রভু জানেন, আমরা অবশ্যই তোমাদের প্রতি প্রেরিত রসূল। (৩৬. ইয়াসীন : ১৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَمَا عَلَيۡنَآ إِلَّا ٱلۡبَلَٰغُ ٱلۡمُبِينُ ١٧
(১৭) আর আমাদের দায়িত্ব তো কেবল পরিষ্কার ভাবে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়া।” (৩৬. ইয়াসীন : ১৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالُوٓاْ إِنَّا تَطَيَّرۡنَا بِكُمۡۖ لَئِن لَّمۡ تَنتَهُواْ لَنَرۡجُمَنَّكُمۡ وَلَيَمَسَّنَّكُم مِّنَّا عَذَابٌ أَلِيمٞ ١٨
(১৮) ওরা বললো, “নিশ্চয় আমরা তোমাদেরকে অমঙ্গল মনে করি। যদি তোমরা আহবান করা থেকে বিরত না হও, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে প্রস্তর বর্ষণে হত্যা করবো এবং আমাদের পক্ষ থেকে অবশ্যই তোমাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি স্পর্শ করবে।” (৩৬. ইয়াসীন : ১৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالُواْ طَٰٓئِرُكُم مَّعَكُمۡ أَئِن ذُكِّرۡتُمۚ بَلۡ أَنتُمۡ قَوۡمٞ مُّسۡرِفُونَ ١٩
(১৯) রসূলগণ বললেন, “তোমাদের অমঙ্গল তোমাদের সাথেই রয়েছে! তোমরা কি অবাধ্য হচ্ছো এজন্যে যে, যদিও আমরা তোমাদেরকে সৎ উপদেশ দিয়েছি? বরং তোমরা হচ্ছো সীমালঙ্ঘনকারী জাতি। (৩৬. ইয়াসীন : ১৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَجَآءَ مِنۡ أَقۡصَا ٱلۡمَدِينَةِ رَجُلٞ يَسۡعَىٰ قَالَ يَٰقَوۡمِ ٱتَّبِعُواْ ٱلۡمُرۡسَلِينَ ٢٠
(২০) শহরের প্রান্তভাগ থেকে হাবীব নাজ্জার দৌড়ে এলো। হাবীব নাজ্জার বললো, “হে আমার জাতি, তোমরা রসূলগণের অনুসরণ করো। (৩৬. ইয়াসীন : ২০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ٱتَّبِعُواْ مَن لَّا يَسۡـَٔلُكُمۡ أَجۡرٗا وَهُم مُّهۡتَدُونَ ٢١
(২১) তোমরা রসূলগণকে অনুসরণ করো, যারা তোমাদের কাছে কোনো বিনিময় চায় না, অথচ তারা সৎপথ প্রাপ্ত।” (৩৬. ইয়াসীন : ২১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَمَالِيَ لَآ أَعۡبُدُ ٱلَّذِي فَطَرَنِي وَإِلَيۡهِ تُرۡجَعُونَ ٢٢
(২২) হাবীব নাজ্জার আরো বললো যে, “আর আমার কি হলো যে, আমি আল্লাহর উপাসনা করবো না, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর কাছে তোমরা ফিরে যাবে? (৩৬. ইয়াসীন : ২২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ءَأَتَّخِذُ مِن دُونِهِۦٓ ءَالِهَةً إِن يُرِدۡنِ ٱلرَّحۡمَٰنُ بِضُرّٖ لَّا تُغۡنِ عَنِّي شَفَٰعَتُهُمۡ شَيۡـٔٗا وَلَا يُنقِذُونِ ٢٣
(২৩) আমি কি আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে উপাস্য রূপে গ্রহণ করবো? দয়াময় আল্লাহ যদি আমাকে কষ্টে ফেলতে চান, তবে তাদের সুপারিশ আমার জন্যে কোনোই কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে রক্ষাও করতে পারবে না। (৩৬. ইয়াসীন : ২৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنِّيٓ إِذٗا لَّفِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٍ ٢٤
(২৪) এরূপ করলে নিশ্চয় আমি তখন প্রকাশ্য পথ ভ্রষ্টতার মধ্যে পতিত হবো। (৩৬. ইয়াসীন : ২৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنِّيٓ ءَامَنتُ بِرَبِّكُمۡ فَٱسۡمَعُونِ ٢٥
(২৫) নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রভু আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করলাম। সুতরাং তোমরা আমার কথা শুনো ও রসূলগণের অনুসরণ করো।” (৩৬. ইয়াসীন : ২৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قِيلَ ٱدۡخُلِ ٱلۡجَنَّةَۖ قَالَ يَٰلَيۡتَ قَوۡمِي يَعۡلَمُونَ ٢٦
(২৬) কিন্তু তারা হাবীব নাজ্জারকে হত্যা করলো ও হাবীব নাজ্জারকে বলা হলো, “তুমি বেহেশতে প্রবেশ করো।” হাবীব নাজ্জার বললো “হায় আফসোস! আমার জাতি যদি কোনো ক্রমে জানতে পারতো যে, (৩৬. ইয়াসীন : ২৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

بِمَا غَفَرَ لِي رَبِّي وَجَعَلَنِي مِنَ ٱلۡمُكۡرَمِينَ ٢٧
(২৭) কি কারণে, আমার প্রভু আমাকে ক্ষমা করেছেন ও আমাকে সম্মানিত করেছেন!” (৩৬. ইয়াসীন : ২৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা