(২৬০) যখন ইব্রাহীম বললেন, “হে আমার প্রভু! তুমি আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করো।” আল্লাহ বললেন, “তুমি কি বিশ্বাস করো না?” ইব্রাহীম বললেন, “হাঁ, আমি বিশ্বাস করি, কিন্তু আমি এজন্যে দেখতে চাই যে, যেনো আমার হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে।” আল্লাহ বললেন, “তাহলে তুমি পাখীদের মধ্যে থেকে যে কোনো চারটি পাখী ধরে নাও ও তাদেরকে তোমার প্রতি অনুগত করো। তারপর প্রতিটি পাহাড়ের উপরে তাদের জবাই করা গোস্তের এক একটি অংশ স্থাপন করো। তারপর তুমি তাদেরকে ডাক দাও। ঐ পাখীরা তোমার কাছে জীবিত হয়ে ছুটে আসবে। আর তুমি জেনে রেখো যে, আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” (২. আল বাক্বারাহ : ২৬০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৬১) যারা তাদের সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করে তাদের উপমা হচ্ছে, একটি শস্যবীজের উপমার ন্যায়। এ শস্যবীজ উৎপাদন করে সাতটি শিষ আর প্রতিটি শিষে থাকে একশত শস্য। আর আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা কল্যাণকে বহুগুণিত করেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন মহা দানশীল, সর্বজ্ঞ। (২. আল বাক্বারাহ : ২৬১)
- ব্যাখ্যা
(২৬২) যারা তাদের সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করে, তারপর যে সম্পদ তারা ব্যয় করেছে সেই জন্যে তারা মানুষকে খোটা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মানুষের পিছনে লেগে থাকে না ও মানুষকে কষ্ট দেয় না। সুতরাং তাদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে পুরস্কার আছে। আর তাদের উপরে কোনো ভয় নেই ও তারা দুঃখিত হবে না। (২. আল বাক্বারাহ : ২৬২)
- ব্যাখ্যা
(২৬৩) নম্র কথা বলে দেওয়া ও ক্ষমা করা ঐ দানের চেয়ে উত্তম, যার পিছনে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে লেগে থাকা হয়। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সম্পদশালী, ধৈর্য্যশীল। (২. আল বাক্বারাহ : ২৬৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৬৪) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা তোমাদের দানকে মানুষকে খোটা ও কষ্ট দিয়ে তার মতো ব্যর্থ করে দিয়ো না, যে ব্যক্তি তার সম্পদ মানুষকে দেখানোর জন্যে ব্যয় করে ও সে আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে না। সুতরাং তার উপমা হচ্ছে মসৃণ পাথরের উপমার মতো, যার উপরে ধুলামাটি আছে। এরপর তার উপরে ঝড়বৃষ্টি নামে, ফলে পাথরকে মসৃণ করে দেয়। তারা যা অর্জন করেছে, পরকালে তার কোনো কিছুর উপরে তাদের কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না। বস্তুত আল্লাহ অবিশ্বাসী জাতিকে পথ প্রদর্শন করেন না। (২. আল বাক্বারাহ : ২৬৪)
- ব্যাখ্যা