(৩৯) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে পৃথিবীর মধ্যে স্বীয় প্রতিনিধি বানিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি অবিশ্বাস করে, তাহলে তার অবিশ্বাস তার বিরুদ্ধেই হবে। অবিশ্বাসীদের অবিশ্বাস তাদের প্রভুর কাছে ক্রোধ বৃদ্ধি করে। আর অবিশ্বাসীদের অবিশ্বাস তাদের নিজেদের জন্যে ক্ষতিই বৃদ্ধি করে। (৩৫. ফাতির : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) আপনি বলুন, “তোমরা কি তোমাদের ঐ অংশীদারদের কথা ভেবে দেখেছো, তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে ডাকো? তোমরা আমাকে দেখাও, তারা পৃথিবীতে কি সৃষ্টি করেছে?” না কি নভোমন্ডল সৃষ্টিতে তাদের কোনো অংশ আছে? না কি আমি তাদেরকে কোনো গ্রন্থ দিয়েছি, ফলে তারা ঐ স্পষ্ট প্রমাণের উপরে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে? বরং অন্যায়কারীরা প্রতারণা করা ব্যতীত তাদের একে অপরকে কোনো অঙ্গীকার দেয় না। (৩৫. ফাতির : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) নিশ্চয় আল্লাহ নভোমন্ডল ও পৃথিবীকে স্থির রাখেন, যেনো পৃথিবী টলে না যায়। যদি উভয়ে টলে যায়, তাহলে আল্লাহ ব্যতীত কেউ উভয়কে স্থির রাখতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সহনশীল, ক্ষমাশীল। (৩৫. ফাতির : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) তারা আল্লাহর নামে জোরালো শপথের দ্বারা বলে যে, অবশ্যই যদি তাদের কাছে একজন সতর্ককারী আসতেন, তাহলে তারা অন্য যে কোনো জাতি অপেক্ষা অধিকতর সৎপথ প্রাপ্ত হতো। তারপর যখন তাদের কাছে একজন সতর্ককারী এলেন, তখন তাদের ঘৃণাই কেবল বেড়ে গেলো। (৩৫. ফাতির : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) তারা পৃথিবীর মধ্যে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে ও খারাপ চক্রান্ত করে। বস্তুত খারাপ চক্রান্ত তার কর্মীদের ব্যতীত অন্য কাউকে ঘেরাও করে না। তবে কি তারা পূর্ববর্তীদের ক্ষেত্রে যা কার্যকর হয়েছিলো সেই নিয়মের অপেক্ষা করছে? সুতরাং আপনি আল্লাহর বিধানের কখনো কোনো পরিবর্তন পাবেন না। আর আপনি আল্লাহর বিধানের কখনো কোনো ব্যতিক্রম পাবেন না। (৩৫. ফাতির : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) তবে কি তারা পৃথিবীর মধ্যে পরিভ্রমণ করে না? তাহলে তারা দেখতে পেতো যে, তাদের পরিণাম কেমন হয়েছিলো, যারা এদের পূর্বে ছিলো। অথচ তারা এদের অপেক্ষা অধিকতর শক্তিশালী ছিলো। আর আল্লাহ এমন নন যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কোনো কিছুই আল্লাহকে অপারগ করতে পারে। নিশ্চয় তিনি হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (৩৫. ফাতির : ৪৪)
- ব্যাখ্যা