(৩১) আমি আপনার কাছে যে গ্রন্থ ওহী করেছি, তা সত্য, আর এ কুরআন সমর্থনকারী ঐ গ্রন্থের যা এর আগে ছিলো। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে সবই অবগত, সর্বদ্রষ্টা। (৩৫. ফাতির : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) তারপর আমি তাদেরকে গ্রন্থের অধিকারী করেছি, যাদেরকে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে থেকে মনোনীত করেছি। সুতরাং তাদের মধ্যে কেউ তার নিজের প্রতি অন্যায়কারী, কেউ মধ্যমপন্থা অবলম্বনকারী আর তাদের মধ্যে কেউ আল্লাহর অনুমতিক্রমে ভালো কাজে অগ্রগামী। এটিই হচ্ছে সেই মহা অনুগ্রহ যা আমি আমার বান্দাদের প্রতি অঙ্গীকার করেছি। (৩৫. ফাতির : ৩২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৩) তারা স্থায়ী বসবাসের বেহেশতে প্রবেশ করবে। সেখানে তারা স্বর্ণনির্মিত মোতি খচিত কঙ্কন দিয়ে অলঙ্কৃত হবে। আর সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমের। (৩৫. ফাতির : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) তারা বলবে, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি আমাদের থেকে সমস্ত দূঃখ দূর করে দিয়েছেন। নিশ্চয় আমাদের প্রভু ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী। (৩৫. ফাতির : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদের জন্যে দোযখের আগুন রয়েছে। তাদের জন্যে মৃত্যুর আদেশ চূড়ান্ত করা হবে না, যার ফলে তারা মরে যেতে পারে। তাদের উপর থেকে দোযখের শাস্তি কমানো হবে না। আমি প্রত্যেক অবিশ্বাসী ব্যক্তিকে এভাবেই প্রতিদান দিয়ে থাকি। (৩৫. ফাতির : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) সেখানে তারা আর্তনাদ করবে ও বলবে, “হে আমাদের প্রভু, আমাদেরকে দোযখ থেকে বের করুন, আমরা সৎকাজ করবো, আমরা পূর্বে যা করতাম, তা আমরা করবো না।” আল্লাহ বলবেন, “তবে আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দেইনি যে, যেনো তোমরা পৃথিবীতে উপদেশ গ্রহণ করতে চাইলে উপদেশ গ্রহণ করতে পারো? এছাড়াও তোমাদের কাছে সতর্ককারী এসেছিলেন। সুতরাং তোমরা শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো। বস্তুত আজ অন্যায়কারীদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী নেই।” (৩৫. ফাতির : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস