(২২) আর জীবিত ও মৃত একসমান নয়। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা শুনিয়ে থাকেন। আর যারা কবরের মধ্যে রয়েছে, আপনি তাদেরকেও শুনাতে সক্ষম নন। (৩৫. ফাতির : ২২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৪) নিশ্চয় আমি আপনাকে সত্য ধর্ম সহকারে, সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি। আর এমন কোনো জাতি নেই, যাদের মধ্যে কোনো সতর্ককারী আসেনি। (৩৫. ফাতির : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) এরা যদি আপনার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, তাহলে অবশ্যই ওরাও মিথ্যা আরোপ করেছিলো, যারা এদের আগে ছিলো। ওদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শন, সহীফা ও উজ্জল গ্রন্থ নিয়ে এসেছিলেন। (৩৫. ফাতির : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৭) আপনি কি দেখেননি যে, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, তারপর এ পানি দ্বারা আমি বিভিন্ন বর্ণের ফসল উৎপন্ন করি। পাহাড় সমূহের মধ্যে সাদা, লাল ও গাঢ়ো কালো বর্ণের বিভিন্ন গিরিপথ রয়েছে। (৩৫. ফাতির : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) অনুরূপ ভাবে মানুষ, জন্তু, গবাদি পশুর মধ্যেও বর্ণ-বৈচিত্র্য রয়েছে। আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল মাত্র জ্ঞানীরাই তাঁকে ভয় করে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশীল, ক্ষমাশীল। (৩৫. ফাতির : ২৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৯) নিশ্চয় যারা আল্লাহর গ্রন্থ পাঠ করে, নামায প্রতিষ্ঠিত করে ও আমি তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, ঐ জীবিকা থেকে তারা গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসার আশা করে, যা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। (৩৫. ফাতির : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) যেনো আল্লাহ তাদেরকে তাদের পারিশ্রমিক পুরোপুরি দিতে পারেন এবং নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী। (৩৫. ফাতির : ৩০)
- ব্যাখ্যা