(১২) দুটি সমুদ্র একসমান নয়, এদের একটি সমুদ্র বিশুদ্ধ তৃষ্ণা নিবারক, যার পানীয় সুমিষ্ট আর এদের এই অপর সমুদ্রটি লোনা ও বিস্বাদ স্বাদ যুক্ত। প্রত্যেকটি থেকেই তোমরা মাছ আহার করো। উভয় থেকে তোমরা অলঙ্কার বের করে আনো, যা তোমরা পরিধান করো। আপনি এই সমুদ্রের বুক চিরে তার মধ্যে জাহাজগুলো চলতে দেখতে পান, যেনো তোমরা তাঁর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো আর যেনো তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। (৩৫. ফাতির : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) তিনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান আর দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকটিই এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত ভেসে চলেছে। তোমাদের এই আল্লাহই হচ্ছেন তোমাদের প্রভু, তাঁর জন্যেই হচ্ছে সব সম্রাজ্য। কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে তোমরা যে উপাস্যদেরকে ডাকো, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটিরও অধিকার রাখে না। (৩৫. ফাতির : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) যদি তোমরা এই উপাস্যদেরকে ডাকো, তবে তারা তোমাদের ঐ ডাক শুনে না। আর যদিও তারা শুনতে পায়, তবু তারা তোমাদের ঐ ডাকের প্রতি সাড়া দেয় না। আর কিয়ামতের দিনে তারা তোমাদের অংশীদার করার বিষয়টি অস্বীকার করবে। যিনি সব বিষয়ে অবগত ঐ আল্লাহর ন্যায় কেউ আপনাকে সঠিক সংবাদ জানাতে পারবে না। (৩৫. ফাতির : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৮) কোনো বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না। যদি কোনো বোঝাগ্রস্ত ব্যক্তি তার বোঝা বহন করতে অন্যকে আহবান করে, তবে কেউ ঐ বোঝা বহন করবে না, যদিও সে নিকট আত্মীয় হয়। আপনি কেবল মাত্র তাদেরকে সতর্ক করতে পারবেন, যারা তাদের প্রভুকে না দেখে ভয় করে ও যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে। যে কেউ নিজেকে সংশোধন করে, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের কল্যাণের জন্যেই নিজেকে সংশোধন করে। বস্তুত আল্লাহর কাছেই তোমাদের সকলকে ফিরে আসতে হবে। (৩৫. ফাতির : ১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস