(৪) তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে অবশ্যই আপনার পূর্ববর্তী রসূলগণকেও মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিলো। বস্তুত আল্লাহর দিকেই সকল বিষয়কে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। (৩৫. ফাতির : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) ওহে মানব জাতি, নিশ্চয় আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য। সুতরাং, পার্থিব জীবন যেনো তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয়। আর ধোঁকাবাজ শয়তান যেনো কিছুতেই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে ধোঁকা না দেয়। (৩৫. ফাতির : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) নিশ্চয় শয়তান তোমাদের শত্রু; সুতরাং তোমরা তাকে শত্রু রূপেই গ্রহণ করো। শয়তান তার বাহিনীকে কেবল মাত্র এজন্যেই ডাকে, যেনো তারা সবাই জ্বলন্ত আগুনের বাসিন্দা হয়। (৩৫. ফাতির : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদের জন্যে কঠোর শাস্তি রয়েছে। আর যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তাদের জন্যে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার রয়েছে। (৩৫. ফাতির : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) যার কাছে তার মন্দ কাজকে শোভনীয় করে দেখানো হয়, তারপর সে ঐ মন্দ কাজকে ভালো হিসেবে দেখে, সুতরাং এই ব্যক্তি ও সৎকর্মশীল ব্যক্তি উভয়ে কি এক সমান? নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন আর যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। সুতরাং আপনি তাদের জন্যে অনুতাপ করে আপনার নিজেকে ধ্বংস করবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ঐ সম্পর্কে ভালো জানেন, যা তারা করে। (৩৫. ফাতির : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) তিনিই আল্লাহ, যিনি বাতাস প্রেরণ করেন, তারপর ঐ বাতাস পানিবাহী মেঘমালা সঞ্চালিত করে। তারপর আমি এই মেঘমালাকে মৃত ভূখন্ডের দিকে পরিচালিত করি। তারপর আমি এ পানি দ্বারা ঐ ভূখন্ডকে তার মৃত্যুর পরে পুনরায় জীবন দান করি। এইভাবেই তোমরা পুনরায় জীবিত হবে। (৩৫. ফাতির : ৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) যে কেউ সম্মান চায় তবে সে জেনে রাখুন যে, সকল সম্মান আল্লাহর হাতেই রয়েছে। আল্লাহর দিকেই সৎবাক্য আরোহণ করে আর সৎকাজ ঐ সৎবাক্যের উন্নতি সাধন করে। যারা মন্দ চক্রান্তে লেগে থাকে, তাদের জন্যে কঠোর শাস্তি রয়েছে। তাদের এসকল চক্রান্ত অবশ্যই ব্যর্থ হবে। (৩৫. ফাতির : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) আল্লাহ তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর বীর্য থেকে, তারপর তিনি তোমাদেরকে যুগল বানিয়েছেন। কোনো নারী গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসব করে না, তবে এ ব্যতীত যে, বিষয়টি আল্লাহর জানা থাকে। কোনো বয়স্ক ব্যক্তির বয়স বাড়ে না ও তার বয়স হ্রাস পায় না, তবে এ ব্যতীত যে, বিষয়টি গ্রন্থের মধ্যে লিখিত আছে। নিশ্চয় এ কাজ আল্লাহর পক্ষে সহজ। (৩৫. ফাতির : ১১)
- ব্যাখ্যা