(৪৯) আপনি বলুন, “সত্য এসে গেছে। আর মিথ্যা নতুন কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না ও কোনো সৃষ্টি ধ্বংসের পরে পুনরায় ঐ সৃষ্টিকে নতুন করে সৃষ্টি করতে পারে না।” (৩৪. সাবা : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫০) আপনি বলুন, “আমি যদি পথভ্রষ্ট হই, তাহলে নিশ্চয় আমি আমার নিজের বিরুদ্ধেই পথভ্রষ্ট হই। আর আমি যদি সৎপথে চলি, তবে তা এজন্যে যে, আমার প্রভু আমার প্রতি ওহী করেছেন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সকলের নিকটবর্তী।” (৩৪. সাবা : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) আপনি যদি ঐ মুহূর্তকে দেখতেন, যখন তারা ভীত হয়ে পড়বে, তারপর তারা পালাতে পারবে না ও পালানোর সময় দোযখের নিকটবর্তী স্থান থেকে ধরা পড়বে। (৩৪. সাবা : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫২) এবং তখন তারা বলবে, “আমরা সত্যের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।” কিন্তু তারা দোযখের এতো দূরবর্তী স্থান থেকে সত্যের নাগাল কেমন করে পাবে? (৩৪. সাবা : ৫২)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) আজ তাদের মধ্যে ও যে বেহেশত তারা কামনা করে ঐ বেহেশতের মধ্যে অন্তরাল হয়ে গেছে, যেমন অন্তরাল করা হয়েছিলো তাদের পূর্বে তাদের অনুরূপ লোকদের সাথে। নিশ্চয় তারা বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে পতিত ছিলো। (৩৪. সাবা : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১) সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আদি স্রষ্টা। তিনি ফেরেশতাগণকে দুই, তিন ও চার পাখা বিশিষ্ট বাণী বাহক হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। তিনি স্বীয় সৃষ্টির মধ্যে যা ইচ্ছা যোগ করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৩৫. ফাতির : ১)
- ব্যাখ্যা
(২) আল্লাহ মানুষের জন্যে যে অনুগ্রহকে খুলে দেন, তবে ঐ অনুগ্রহকে ফেরাবার কেউ শক্তি রাখে না। আর তিনি যে অনুগ্রহকে ফিরিয়ে রাখেন, তবে তিনি ব্যতীত ঐ অনুগ্রহকে কেউ প্রেরণ করতে পারে না। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৩৫. ফাতির : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) ওহে মানব জাতি, তোমরা তোমাদের উপরে আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ করো। আল্লাহ ব্যতীত এমন কোনো স্রষ্টা আছে কি, যে তোমাদেরকে আকাশ ও পৃথিবী থেকে জীবিকা দান করে? তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। অতএব তোমরা কোথায় ফিরে যাচ্ছো? (৩৫. ফাতির : ৩)
- ব্যাখ্যা