(৪১) ফেরেশতাগণ বলবে, “আপনি পবিত্র, তারা ব্যতীত আপনিই আমাদের অভিভাবক। বরং তারা জ্বিন শয়তানদের পূজা করতো। তাদের অধিকাংশই ঐ শয়তানদের প্রতি বিশ্বাসী।” (৩৪. সাবা : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) অতএব আজকের দিনে তোমরা একে অপরের কোনো উপকার ও অপকার করার অধিকারী হবে না। আমি জালিমদেরকে বলবো যে, “তোমরা আগুনের শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো, যেহেতু তোমরা এ শাস্তিকে মিথ্যা বলতে।” (৩৪. সাবা : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট বাণী সমূহ পাঠ করা হয়, তখন তারা বলে, “এই ব্যক্তি কেবল মাত্র চায় যে, তোমাদেরকে ঐ সকল দেবতাদের থেকে ফিরিয়ে রাখতে, তোমাদের পিতৃ-পুরুষরা যার উপাসনা করতো।” তারা আরো বলে, “এ কুরআন একটি বানানো মিথ্যা রচনা ব্যতীত অন্য কিছুই নয়।” আর যারা সত্যকে অবিশ্বাস করে, তাদের কাছে যখন এ সত্য আসে, তখন তারা বলে, “এ সুস্পষ্ট যাদু ব্যতীত অন্য কিছুই নয়।” (৩৪. সাবা : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) অথচ আমি তাদেরকে ইতিপূর্বে এমন কোনো গ্রন্থ দেইনি, যা তারা অধ্যয়ন করে। আর আমি আপনার পূর্বে তাদের কাছে এমন কোনো সতর্ককারী প্রেরণ করিনি, যে রসূল তাদেরকে সতর্ক করেছে। (৩৪. সাবা : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) এদের পূর্বে যারা ছিলো তারাও আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিলো। আমি তাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছিলাম, এদের কাছে তার এক দশমাংশও পৌঁছায়নি। তা সত্ত্বেও তারা আমার রসূলগনকে মিথ্যা বলেছে। সুতরাং কেমন হয়েছিলো আমাকে অস্বীকৃতির পরিণাম! (৩৪. সাবা : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) আপনি বলুন, “নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে কেবল মাত্র একটি বিষয়ের উপদেশ দিচ্ছি, যেনো তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দুইজন করে অথবা একাকী উঠে দাঁড়াও, তারপর তোমরা চিন্তা করো।” আর তোমরা চিন্তা করলে বুঝতে পারবে যে, তোমাদের সঙ্গীর মধ্যে কোনো উম্মাদনা নেই। তিনি তোমাদের জন্যে আসন্ন কাঠোর শাস্তি সম্পর্কে একজন সতর্ককারী। (৩৪. সাবা : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৭) আপনি বলুন, “আমি এ কাজের বিনিময়ে তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাই না, বরং তা তোমাদের জন্যেই রেখে দাও। আমার পারিশ্রমিক আল্লাহর কাছে রয়েছে। কেননা তিনি সব কিছুর উপরে প্রত্যক্ষ সাক্ষী।” (৩৪. সাবা : ৪৭)
- ব্যাখ্যা