(৩২) যারা অহঙ্কার করতো তারা ওদেরকে বলবে, যাদেরকে দুর্বল মনে করা হতো, “তোমাদের কাছে পথ-নির্দেশ এসে যাওয়ার পর আমরাই কি তোমাদেরকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরাই তো অপরাধী ছিলে।” (৩৪. সাবা : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) যাদেরকে দুর্বল মনে করা হতো, তারা ওদেরকে বলবে যারা অহঙ্কার করতো, “বরং তোমরাই রাত ও দিনে চক্রান্ত করতে, যখন তোমরা আমাদেরকে নির্দেশ দিতে, যেনো আমরা আল্লাহকে অবিশ্বাস করি এবং আমরা তাঁর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করি।” তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন তারা মনের অনুতাপ গোপন করবে। আমি অবিশ্বাসীদের গলায় শিকল পরাবো। তাদেরকে কি আজ তাদের কৃতকর্মের কারণে ছাড়া অন্য কোনো কারণে প্রতিদান দেওয়া হচ্ছে? (৩৪. সাবা : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) আমি যখনই কোনো জনপদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করেছি, তখনই ঐ জনপদের বিত্তশালী অধিবাসীরা এ কথা বলেছে যে, “নিশ্চয় তোমাদেরকে যা দিয়ে পাঠানো হয়েছে, আমরা তার প্রতি অবিশ্বাসী।” (৩৪. সাবা : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) আপনি বলুন, “নিশ্চয় আমার প্রভু যার জন্যে ইচ্ছা করেন, তাকে জীবিকা বাড়িয়ে দেন এবং যার জন্যে ইচ্ছা করেন, তার জীবিকাকে সীমিত করে দেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা বুঝে না।” (৩৪. সাবা : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) তোমাদের সম্পদ ও সন্তান এমন জিনিস নয়, যা মর্যাদায় তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করবে। তবে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, সুতরাং এদের জন্যেই তাদের কৃতকর্মের কারণে বহুগুণ প্রতিদান রয়েছে। তারা সুউচ্চ প্রাসাদের মধ্যে নিরাপদে থাকবে। (৩৪. সাবা : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) আপনি বলুন, “নিশ্চয় আমার প্রভু তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্যে ইচ্ছা করেন, তাকে জীবিকা বাড়িয়ে দেন এবং যার জন্যে ইচ্ছা করেন, তার জীবিকাকে সীমিত করে দেন। তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার প্রতিদান দেন। কেননা তিনিই উত্তম জীবিকা দাতা।” (৩৪. সাবা : ৩৯)
- ব্যাখ্যা