(২৩) আল্লাহর কাছে কারো কোনো সুপারিশ কাজে লাগবে না, তবে যার জন্যে অনুমতি দেওয়া হয়, তার জন্যে ব্যতীত। এমনকি যখন তাদের মন থেকে ভয় দূর হয়ে যাবে, তখন তারা পরস্পরকে বলবে, “তোমাদের প্রভু কি বলেছিলেন?” তারা বলবে, “আল্লাহ সত্য বলেছিলেন আর তিনিই সর্বোচ্চ, মহান।” (৩৪. সাবা : ২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৪) আপনি বলুন, “নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল থেকে কে তোমাদেরকে জীবিকা দান করেন?” আপনি বলুন, “আল্লাহ তোমাদেরকে জীবিকা দান করেন। নিশ্চয় কেবল মাত্র আমরা অথবা কেবল মাত্র তোমরাই সৎপথের উপরে রয়েছি অথবা স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছি।” (৩৪. সাবা : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৬) আপনি বলুন, “আমাদের প্রভু আমাদের সকলকে একত্র করবেন, তারপর তিনি আমাদের মধ্যে সঠিক ভাবে মীমাংসা করবেন। বস্তুত তিনিই শ্রেষ্ঠ মীমাংসাকারী, সর্বজ্ঞ।” (৩৪. সাবা : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) আপনি বলুন, “তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সঙ্গে অংশী স্থির করেছো, তাদেরকে আমাকে দেখাও। কখনোই আল্লাহর কোনো অংশী নেই। বরং তিনিই আল্লাহ, পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” (৩৪. সাবা : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(৩০) আপনি বলুন, “তোমাদের ঐ শাস্তির জন্যে এমন এক দিনের মেয়াদ নির্দিষ্ট আছে, যা থেকে তোমরা এক মুহূর্ত বিলম্ব করতে পারবে না ও তোমরা দ্রুতও করতে পারবে না।” (৩৪. সাবা : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা বলে, “আমরা কখনোই এ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করবো না আর তাতেও আমরা বিশ্বাস করবো না, যে গ্রন্থে সমূহ এ কুরআনের পূর্ববর্তী।” আপনি যদি ঐ সময় জালিমদেরকে দেখতেন, যখন তাদেরকে তাদের প্রভুর সামনে দাঁড় করানো হবে, তখন তারা পরস্পর কথা কাটাকাটি করবে। যাদেরকে দুর্বল মনে করা হতো, তারা ওদেরকে বলবে যারা অহঙ্কার করতো, “যদি তোমরা না থাকতে, তাহলে আমরা অবশ্যই আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হতাম।” (৩৪. সাবা : ৩১)
- ব্যাখ্যা