(১৫) অবশ্যই সাবার অধিবাসীদের জন্যে তাদের বাসভূমির মধ্যে দুটি বাগান আল্লাহর একটি নিদর্শন ছিলো। একটি বাগান ডানদিকে, ও একটি বাগান বামদিকে ছিলো। আমি বলেছিলাম যে, “তোমরা তোমাদের প্রভুর দেওয়া জীবিকা থেকে খাও ও তোমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।” এ এক উৎকৃষ্ট শহর ছিলো এবং আপনার প্রভুও ক্ষমাশীল ছিলেন। (৩৪. সাবা : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) তা সত্ত্বেও তারা বিমুখ হয়েছিলো, ফলে আমি তাদের উপর বাধঁ ভাঙ্গা বন্যা প্রেরণ করলাম! আমি তাদের দুই বাগানকে এমন দুই বাগানে পরিবর্তন করে দিলাম, যেনো ঐ বাগানে বিস্বাদ ফলমূল, ঝাউ গাছ ও সামান্য কিছু কূলগাছ উৎপন্ন হয়। (৩৪. সাবা : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) আমি তাদেরকে এটাই শাস্তি দিয়েছিলাম, যেহেতু তারা আমার প্রতি অবিশ্বাস করেছিলো। আর আমি অকৃতজ্ঞদের ব্যতীত অন্য কাউকে শাস্তি দেই না। (৩৪. সাবা : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) আমি তাদের ও ঐ শহর গুলোর মাঝে অনেক সুন্দর দৃশ্যমান জনবসতি স্থাপন করেছিলাম, যে গুলোতে আমি অনুগ্রহ দান করেছিলাম। আমি সে গুলোতে ভ্রমণের দূরত্ব পরিমান মতো রেখেছিলাম। আমি বলেছিলাম যে, “তোমরা এসব জনপদে রাতে ও দিনে নিরাপদে ভ্রমণ করো।” (৩৪. সাবা : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) তারপর তারা বললো, “হে আমাদের প্রভু, আমাদের ভ্রমণের পথ গুলোর মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দিন।” তারা তাদের নিজেদের প্রতিই অন্যায় করেছিলো। ফলে আমি তাদেরকে কাহিনীর বিষয়বস্তু বানিয়ে দিলাম। আমি তাদের প্রত্যেককে সম্পূর্ণ রূপে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দিলাম। নিশ্চয় এ সকল ঘটনার মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্য্যশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (৩৪. সাবা : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) অবশ্যই তাদের উপরে ইবলীস তার অনুমানকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলো। ফলে বিশ্বাসীদের মধ্যে একটি দল ব্যতীত তারা সকলেই ইবলীসের পথ অনুসরণ করলো। (৩৪. সাবা : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) কিন্তু তাদের উপরে শয়তানের কোনো ক্ষমতা ছিলো না, তবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার ক্ষমতা আমি তাকে এজন্য দিয়েছিলাম যে, যেনো আমি জানতে পারি যে, কে পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে আর কে এই পরকাল সম্পর্কে সন্দেহের মধ্যে রয়েছে। বস্তুত আপনার প্রভু সব কিছুর উপরে তত্ত্বাবধায়ক। (৩৪. সাবা : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) আপনি বলুন, “তোমরা তাদেরকে আহবান করো, আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমরা যাদেরকে উপাস্য মনে করো। তারা নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে অনু পরিমাণ কোনো ক্ষমতা রাখে না। আর এই দুইয়ের মধ্যে তাদের কোনো অংশ নেই। তাদের মধ্যে কেউ আল্লাহর কোনো কাজের সহায়ক নয়।” (৩৪. সাবা : ২২)
- ব্যাখ্যা