(৮) সে হয় আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করছে, নয়তো সে একজন উম্মাদ।” বরং যারা পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না, তারা শাস্তির মধ্যে ও সুদূর প্রসারী ঘোর পথভ্রষ্টতার মধ্যে পতিত আছে। (৩৪. সাবা : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) তবে কি তারা আকাশ ও পৃথিবীর প্রতি লক্ষ করে না, যা তাদের সামনে ও পিছনে রয়েছে? আমি যদি চাইতাম, তবে আমি তাদের সহ পৃথিবীকে ধসিয়ে দিতাম অথবা আমি আকাশের কোনো খন্ড তাদের উপরে ফেলে দিতাম। নিশ্চয় আল্লাহ অভিমুখী প্রত্যেক বান্দার জন্যে এর মধ্যে নিদর্শন রয়েছে। (৩৪. সাবা : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) অবশ্যই আমি দাউদকে আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দিয়েছিলাম। ও আমি বলেছিলাম যে, “হে পাহাড় সমূহ ও পাখীরা, তোমরা দাউদের সঙ্গে আমার পবিত্রতা ঘোষণা করো।” আমি তাঁর জন্যে লোহাকে নরম করেছিলাম। (৩৪. সাবা : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) আমি দাউদকে বলেছিলাম যে, “তুমি প্রশস্ত বর্ম তৈরী করো, কড়া সমূহ যথাযথ ভাবে সংযুক্ত করো ও সৎকাজ করো। নিশ্চয় তোমরা যা কিছু করো আমি তার দ্রষ্টা।” (৩৪. সাবা : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) আমি বাতাসকে সুলায়মানের অধীন করেছিলাম। এ বাতাসের সকাল বেলার গতিপথ ছিলো এক মাস ও এ বাতাসের বিকেল বেলার গতিপথ ছিলো এক মাস। আমি সুলায়মানের জন্যে গলিত তামার এক ঝর্ণা প্রবাহিত করেছিলাম। জ্বিনদের মধ্যে অনেকে আল্লাহর আদেশে সুলায়মানের সামনে কাজ করতো। আমি বলে দিয়েছিলাম যে, ঐ জ্বিনদের মধ্যে যে কেউ আমার আদেশ অমান্য করবে, আমি তাকে জ্বলন্ত আগুনের শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাবো। (৩৪. সাবা : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) সুলায়মান যা চাইত, জ্বিনেরা তাঁর জন্যে তা বানিয়ে দিতো, সেগুলোর মধ্যে ছিলো, প্রাসাদ, ভাস্কর্য, গামলার ন্যায় পাত্র আর স্থির হয়ে বসে থাকে এমন ডেগ। আমি বলেছিলাম যে, “হে দাউদের পরিবার! কৃতজ্ঞতার সাথে তোমরা কাজ করে যাও।” বস্তুত আমার বান্দাদের মধ্যে অল্প লোকই কৃতজ্ঞ হয়। (৩৪. সাবা : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) তারপর যখন আমি সুলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে জ্বিনদেরকে ঘুণ পোকা জানিয়ে ছিলো। ঘুণ পোকা সুলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিলো। তারপর যখন তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জ্বিনদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেলো যে, যদি তারা অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানতো, তাহলে তারা অপমানজনক শাস্তির মধ্যে পড়ে থাকতো না। (৩৪. সাবা : ১৪)
- ব্যাখ্যা