(৫৫) নবীর স্ত্রীদের জন্যে তাঁদের পিতাদের, পুত্রদের, ভাইদের, ভাইয়ের পুত্রদের, বোনের পুত্রদের, তাঁদের মতো নারীদের ক্ষেত্রে আর তাঁদের দাস-দাসীদের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে কোনো অপরাধ নেই। হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরেই প্রত্যক্ষ সাক্ষী। (৩৩. আল আহযাব : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৬) নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর উপরে দরূদ পড়েন। ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরাও নবীর উপরে দরূদ পড়ো এবং শ্রদ্ধার সাথে নবীর প্রতি সালাম প্রেরণ করো। (৩৩. আল আহযাব : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৭) নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিশাপ করেন আর তাদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। (৩৩. আল আহযাব : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) যারা বিনা কারণে বিশ্বাসী পুরুষ ও বিশ্বাসী নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তাহলে তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। (৩৩. আল আহযাব : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) হে প্রিয় নবী! আপনার স্ত্রীদেরকে, কন্যাদেরকে ও বিশ্বাসীদের স্ত্রীদেরকে আপনি বলুন যে, তারা যেনো তাদের চাদরের কিছু অংশ তাদের নিজেদের মুখের উপরে টেনে নেয়। এটিই বেশী ভালো উপায় যে, তাদেরকে চেনা যাবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল অতি দয়ালু। (৩৩. আল আহযাব : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬০) দ্বিমুখীরা ও যাদের অন্তরের মধ্যে রোগ আছে ও মদীনার গুজব রটনাকারীরা যদি গুজব ছড়ানো থেকে বিরত না হয়, তাহলে নিশ্চয় আমি আপনাকে তাদের উপরে ক্ষমতা দিবো। তারপর তারা অল্প সময়ই এই মদীনার মধ্যে আপনার প্রতিবেশী হয়ে থাকতে পারবে, (৩৩. আল আহযাব : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬২) যারা পূর্বে অতীত হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে এটাই ছিলো আল্লাহর রীতি। আপনি আল্লাহর রীতিতে কখনো কোনো পরিবর্তন পাবেন না। (৩৩. আল আহযাব : ৬২)
- ব্যাখ্যা