(৫১) আপনি আপনার স্ত্রীদের মধ্যে থেকে যাকে ইচ্ছা দূরে রাখতে পারেন ও যাকে ইচ্ছা আপনার কাছে গ্রহণ করতে পারেন। আপনি তাদের মধ্যে যাকে দূরে রেখেছেন, আপনি যদি তাকে কামনা করেন, সুতরাং তাতে আপনার উপরে কোনো দোষ হবে না। এটাই অধিক সম্ভাবনা যে, তাদের চোখগুলো শীতল থাকবে আর তারা দুঃখ পাবে না ও আপনি যে সম্পদ তাদেরকে দেন, ঐ বিষয়ে তাদের প্রত্যেকেই সন্তুষ্ট থাকবে। তোমাদের অন্তরের মধ্যে যা আছে, আল্লাহ তা জানেন। আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, সহনশীল। (৩৩. আল আহযাব : ৫১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫২) এদের পরে আপনার জন্যে অন্য কোনো নারী বৈধ নয়। আর তাদের পরিবর্তে অন্য কোনো স্ত্রী গ্রহণ করাও বৈধ নয়, যদিও তাদের সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে আপনার দাসীদের ব্যাপারে কোনো অপরাধ হবে না। আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশীল। (৩৩. আল আহযাব : ৫২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৩) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা নবীর ঘরে প্রবেশ করো না, তবে এ ব্যতীত যে, যদি তোমাদেরকে খাওয়ার জন্যে অনুমতি দেওয়া হয়, আর রান্না শেষ হবার অপেক্ষা না করে তোমরা খাওয়ার জন্যে আগেই নবীর ঘরে প্রবেশ করো না। বরং তোমাদেরকে যখন ডাকা হয়, তখন তোমরা ঘরে প্রবেশ করো। তারপর যখন তোমরা খাওয়া শেষ করো, তখন দ্রুত চলে যেও এবং তোমরা কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় তোমাদের এ আচরণ নবীকে কষ্ট দেয়। অথচ নবী তোমাদের কাছে এইসব কথা বলতে লজ্জা বোধ করেন। কিন্তু আল্লাহ সত্য কথা বলতে লজ্জা বোধ করেন না। যখন তোমরা নবীর স্ত্রীদের কাছে কোনো কিছু চাও, তখন তোমরা তাঁদের কাছে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটিই তোমাদের হৃদয়ের জন্যে ও তাঁদের হৃদয়ের জন্যে অধিক পবিত্র। তোমাদের জন্যে বৈধ নয় যে, তোমার আল্লাহর রসূলকে কষ্ট দিবে। তোমাদের জন্যে কখনোই বৈধ নয় যে, তোমরা নবীর মৃত্যুর পরে তাঁর স্ত্রীদেরকে বিবাহ করবে। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে এটি হচ্ছে গুরুতর অপরাধ। (৩৩. আল আহযাব : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস