(৪৪) যেদিন বিশ্বাসীরা আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, সেই দিন তাদের প্রতি সম্ভাষণ হবে যে, “তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক”। তিনি তাদের জন্যে সম্মানজনক প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন। (৩৩. আল আহযাব : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) আপনি অবিশ্বাসী ও দ্বিমুখীদের আনুগত্য করবেন না আর আপনি তাদের নির্যাতনকে উপেক্ষা করুন ও আল্লাহর উপরে ভরসা করুন। আল্লাহ আপনার জন্যে অভিভাবক হিসেবে যথেষ্ট। (৩৩. আল আহযাব : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা যখন বিশ্বাসী নারীদেরকে বিবাহ করো, তারপর যদি তোমরা তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বেই তালাক দিয়ে দাও, তখন তাদের ইদ্দত পালনের সময়কে গননা করে তা নির্ধারণ করার তোমাদের কোনো অধিকার নাই। তারপর তোমরা তাদেরকে কিছু উপহার দিবে এবং তাদেরকে সুন্দর উপায়ে বিদায় দিবে। (৩৩. আল আহযাব : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) হে প্রিয় নবী! নিশ্চয় আমি আপনার জন্যে আপনার স্ত্রীগণকে বৈধ করেছি, যাদেরকে আপনি তাদের দেনমোহর প্রদান করেছেন। আর যাদেরকে আল্লাহ আপনাকে যুদ্ধের দানরূপে দিয়েছেন, আপনার এমন দাসীদেরকে আমি আপনার জন্যে বৈধ করেছি। আর আমি আপনার বিবাহের জন্যে বৈধ করেছি আপনার চাচাতো বোন, ফুফাতো বোন, মামাতো বোন, খালাতো বোনকে, যারা আপনার সঙ্গে দেশ ত্যাগ করেছে। আর কোনো বিশ্বাসী নারী যদি নিজেকে স্বেচ্ছায় নবীর কাছে সমর্পন করে আর নবীও যদি চান যে, তাকে বিবাহ করতে, তবে সে নারীও নবীর জন্যে কোনো দেনমোহর ছাড়াই বৈধ করা হলো। এটা বিশেষ ভাবে আপনার জন্যেই প্রযোজ্য, অন্য বিশ্বাসীদের জন্যে প্রযোজ্য নয়। আমি অবশ্যই জানি বিশ্বাসীদের স্ত্রী ও বিশ্বাসীদের দাসীদের ব্যাপারে আমি কী বিধান দিয়েছি। আমি আপনাকে ব্যতিক্রম রেখেছি যেনো আপনার উপরে কোনো অসুবিধা না থাকে। আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৩৩. আল আহযাব : ৫০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস