(৩৬) একজন বিশ্বাসী পুরুষের পক্ষে ও একজন বিশ্বাসী নারীর পক্ষে উচিত নয় যে, যখন আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোনো কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তখন এ ব্যাপারে তাদের কোনো মতামত থাকে। আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশকে অমান্য করে, তাহলে অবশ্যই সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়। (৩৩. আল আহযাব : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৭) যার প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন ও আপনিও যার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন, ঐ যায়েদকে যখন আপনি বলেছিলেন যে, “তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই রাখো ও তুমি আল্লাহকে ভয় করো।” আপনি আপনার অন্তরের মধ্যে যে বিষয় গোপন করছিলেন, আল্লাহ ঐ বিষয়কে প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। আপনি লোক নিন্দার ভয় করছিলেন অথচ আল্লাহই এ বিষয়ে বেশি হকদার যে, আপনি তাঁকেই ভয় করবেন। তারপর যখন যায়েদ যয়নবের থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ করলো, তখন আমি যয়নবকে আপনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করলাম। যেনো বিশ্বাসীদের উপরে ঐ সব স্ত্রীদেরকে বিবাহ করার ব্যাপারে কোনো অসুবিধা না থাকে, যাদের থেকে তাদের পালক পুত্ররা বিবাহ বিচ্ছেদ করেছে। বস্তুত আল্লাহর নির্দেশ কার্যকর হয়েই থাকে। (৩৩. আল আহযাব : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৮) আল্লাহ নবীর জন্যে যা নির্ধারণ করেন, ঐ বিষয়ে তাঁর কোনো বাধা নেই। পূর্ববর্তী নবীগণের ক্ষেত্রে এটাই ছিলো আল্লাহর বিধীমালা। বস্তুত আল্লাহর আদেশ হচ্ছে সুনির্দিষ্ট ভাবে নির্ধারিত। (৩৩. আল আহযাব : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৯) ঐ নবীগণ আল্লাহর বার্তা সমূহ পৌঁছে দিতেন ও আল্লাহকে ভয় করতেন। তাঁরা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে ভয় করতেন না। বস্তুত হিসাব গ্রহণের জন্যে আল্লাহই যথেষ্ঠ। (৩৩. আল আহযাব : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের কোনো ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি হচ্ছেন আল্লাহর রসূল এবং নবীগণের মধ্যে শেষ নবী। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব বিষয়ে জ্ঞাত। (৩৩. আল আহযাব : ৪০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৩) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের প্রতি আশীর্বাদ করেছেন ও তাঁর ফেরেশতাগণও দোয়া করেছেন, যেনো তিনি তোমাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। বস্তুত তিনি হচ্ছেন বিশ্বাসীদের প্রতি অতি দয়ালু। (৩৩. আল আহযাব : ৪৩)
- ব্যাখ্যা