(২৩) বিশ্বাসীদের মধ্যে এমনো ব্যক্তি রয়েছে যারা সত্য প্রমাণ করেছে ঐ বিষয়কে, যা তারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকার করেছে। সুতরাং তাদের মধ্যে কেউ তার অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে আর তাদের মধ্যে কেউ অপেক্ষা করছে। আর তারা তাদের সংকল্পের কোনো পরিবর্তন করেনি। (৩৩. আল আহযাব : ২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৪) এটা এ কারণে যে, যেনো আল্লাহ, সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতার কারণে প্রতিদান দেন। আর যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন তবে দ্বিমুখীদেরকে শাস্তি দিবেন অথবা তাদেরকে ক্ষমা করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৩৩. আল আহযাব : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) আল্লাহ অবিশ্বাসীদেরকে মদিনা থেকে তাদের ক্রোধসহ ফিরিয়ে দিলেন। যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছিলো, তারা কোনো কল্যাণ লাভ করতে পারেনি। যুদ্ধ করার জন্যে আল্লাহ বিশ্বাসীদের জন্যে যথেষ্ট ছিলেন। আল্লাহ হচ্ছেন শক্তিশালী, পরাক্রমশালী। (৩৩. আল আহযাব : ২৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৬) গ্রন্থপ্রাপ্তদের মধ্যে থেকে যারা অবিশ্বাসীদেরকে সাহায্য করেছিলো, আল্লাহ তাদেরকে তাদের দূর্গ থেকে নামিয়ে দিলেন আর তাদের অন্তরের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করলেন। ফলে তোমরা এক দলকে হত্যা করেছিলে ও তোমরা এক দলকে বন্দী করেছিলে। (৩৩. আল আহযাব : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তিনি তোমাদেরকে উত্তরাধিকার করে দিলেন, তাদের জমি, ঘর, সম্পদের ও খায়বারের জমির, যেখানে তোমরা অভিযান করনি। আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৩৩. আল আহযাব : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) হে প্রিয় নবী! আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে বলুন, “তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার বিলাসিতা কামনা করো, তাহলে তোমরা এসো, আমি তোমাদের ভোগের ব্যবস্থা করে দেই ও আমি তোমাদেরকে সুন্দর পন্থায় বিদায় দেই। (৩৩. আল আহযাব : ২৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৯) আর যদি তোমরা আল্লাহকে, তাঁর রসূলকে ও পরকালের ঘরকে কামনা করো, তাহলে নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে সৎকর্মশীল নারীদের জন্যে আল্লাহ মহা প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন।” (৩৩. আল আহযাব : ২৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩০) হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমাদের মধ্যে যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ নিয়ে আসবে, তবে তার জন্যে শাস্তিকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হবে। আর এটি আল্লাহর জন্যে সহজ একটি ব্যাপার। (৩৩. আল আহযাব : ৩০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস