(১৬) আপনি বলুন, “তোমরা যদি যুদ্ধের সময় মৃত্যু অথবা হত্যা থেকে পলায়ন করো, তবে তোমাদের এমন পালিয়ে যাওয়া তোমাদের কোনো কাজে আসবে না। আর তখন তোমরা এই পার্থিব জীবনে সামান্য সময় ভোগ করতে পারবে।” (৩৩. আল আহযাব : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) আপনি বলুন, “যদি আল্লাহ তোমাদের জন্যে অমঙ্গল করার ইচ্ছা করেন, তবে এমন কে আছে যে ব্যক্তি তোমাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করবে অথবা আল্লাহ যদি তোমাদের জন্যে দয়া করার ইচ্ছা করেন তবে কে তা বাধা দিবে?” তখন তারা আল্লাহ ব্যতীত তাদের নিজেদের জন্যে অন্য কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না। (৩৩. আল আহযাব : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) অবশ্যই তোমাদের মধ্যে যারা তোমাদেরকে যুদ্ধ করতে বাধা দেয়, ঐ বাধা দানকারীদেরকে ও ঐ বক্তাদেরকে আল্লাহ জেনে গেছেন যারা তাদের ভাইদেরকে বলে যে, “তোমরা আমাদের কাছে চলে এসো।” আর তারা যুদ্ধে আসে না তবে অতি সামান্য ছাড়া। (৩৩. আল আহযাব : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) তারা তোমাদের প্রতি লোভী হয়ে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ পাওয়ার জন্যে যুদ্ধে আসে। তারপর যখন কোনো বিপদ আসে, তখন আপনি তাদেরকে দেখবেন যে, তারা আপনার প্রতি চেয়ে আছে, যেনো তাদের চোখ ওদের মতো উল্টে গেছে, যারা এমন যে, তাদের উপরে মৃত্যুর ভয় ছেয়ে গেছে। তারপর যখন বিপদ চলে যায়, তখন তারা সম্পদের প্রতি লোভী হয়ে সম্পদ পাওয়ার আশায়, তাদের তীক্ষ্ম ভাষা নিয়ে শীঘ্রই তোমাদের সঙ্গে মিলিত হবে। এরাই তারা, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে না। তাই আল্লাহ তাদের কর্ম সমূহ বিফল করে দিয়েছেন। আর এটি আল্লাহর জন্যে সহজ ব্যাপার। (৩৩. আল আহযাব : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) দ্বিমুখীরা ভেবেছিলো যে, শক্র বাহিনী চলে যায়নি। আর যদি শক্র বাহিনী আবার ফিরে আসতো, তবে তারা কামনা করতো যে, যদি তারা আরবের মরুবাসীদের মধ্যে অবস্থান করতো, তবে তারা তোমাদের সংবাদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিতে পারতো। যদি তারা তোমাদের সঙ্গে থাকে, তবুও তারা সামান্য ব্যতীত যুদ্ধ করে না। (৩৩. আল আহযাব : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) অবশ্যই তোমাদের জন্যে আল্লাহর রসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। তাদের জন্যে আদর্শ রয়েছে, যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের আশা রাখে আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে। (৩৩. আল আহযাব : ২১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২২) যখন বিশ্বাসীগণ শক্র বাহিনীকে দেখলো, তখন তারা বললো, “এটিই তো তাই, আমাদের কাছে আল্লাহ ও তাঁর রসূল যার অঙ্গীকার করেছিলেন আর আল্লাহ ও তাঁর রসূল আমাদেরকে সত্য কথাই বলেছিলেন।” আর এটি তাদের জন্যে বিশ্বাস ও আনুগত্য বৃদ্ধি করেছিলো। (৩৩. আল আহযাব : ২২)
- ব্যাখ্যা