(২৫৩) এইসব রসূলগণ যাদেরকে আমি মানুষের মঙ্গলের জন্যে পাঠিয়ে ছিলাম, তাঁরা এমন ছিলেন যে, তাঁদের কাউকে আমি অপর কারোর উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাঁদের মধ্যে কেউ এমন ছিলেন যে, যার সাথে আল্লাহ সরাসরি কথা বলেছেন ও তাঁদের কাউকে তিনি বহু স্তরে উন্নত করেছেন। আর আমি মারইয়ামের পুত্র ঈসাকে স্পষ্ট নিদর্শন সমূহ দিয়েছিলাম আর আমি তাঁকে ফেরেশতা জিবরিলের মাধ্যমে শক্তিশালী করেছিলাম। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন তবে যেসকল মানুষ রসূলগণের পরবর্তীতে এসেছে, তারা স্পষ্ট নিদর্শন সমূহ এসে যাবার পরে পরস্পর লড়াই করতো না। কিন্তু তারা এর পরেও পরস্পর মতবিরোধ করলো। সুতরাং তাদের মধ্যে কেউ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করলো ও তাদের মধ্যে কেউ আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করলো। কিন্তু আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন তবে তারা পরস্পর লড়াই করতো না। বস্তুত আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন। (২. আল বাক্বারাহ : ২৫৩)
- ব্যাখ্যা
(২৫৪) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! আমি তোমাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, তা থেকে তোমরা কিয়ামতের দিন আসার আগে ব্যয় করো, যখন ঐ দিন আসবে তখন সেই দিন কোনো বেচা-কেনা থাকবে না, কোনো বন্ধুত্ব থাকবে না আর কোনো সুপারিশ থাকবে না। বস্তুত অবিশ্বাসীরাই প্রকৃত অন্যায়কারী। (২. আল বাক্বারাহ : ২৫৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৫৫) আল্লাহ হচ্ছেন এমন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি চির জীবন্ত, চির বিদ্যমান। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুই তাঁর জন্যে। কে আছে এমন যে, তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? মানুষ ও জ্বিনদের সামনের ভবিষ্যৎ ও তাদের পিছনের অতীতে যা কিছু আছে, সব কিছুই আল্লাহ ভালো ভাবে জানেন। আর মানুষ ও জ্বিন আল্লাহর জ্ঞানের মধ্যে থেকে কিছুই আয়ত্ব করতে পারে না, তবে তা ব্যতীত, তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন ও কর্তৃত্ব নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে পরিবেষ্টন করে আছে। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল উভয়ের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না এবং তিনি সবচাইতে উচ্চে অধিষ্ঠিত, সর্বাপেক্ষা মহান। (২. আল বাক্বারাহ : ২৫৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৫৬) ধর্মের মধ্যে কোনো জবরদস্তি নেই। অবশ্যই সত্যপথ ভ্রান্তপথ থেকে স্পষ্ট হয়ে গেছে। অতএব যে ব্যক্তি মিথ্যা দেবতাকে অস্বীকার করে ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, সুতরাং অবশ্যই সে এমন একটি শক্ত হাতল ধরেছে, যা কখনো ভাঙ্গবে না। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (২. আল বাক্বারাহ : ২৫৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস