(৭) যখন আমি নবীগণের কাছ থেকে ও আপনার কাছ থেকে আর নূহ, ইব্রাহীম, মূসা ও মারইয়ামের পুত্র ঈসার কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম। আর আমি তাঁদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম, (৩৩. আল আহযাব : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) যেনো আল্লাহ সত্যবাদীদেরকে তাঁদের সত্যবাদিতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। বস্তুত আল্লাহ অবিশ্বাসীদের জন্যে বেদনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। (৩৩. আল আহযাব : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা তোমাদের উপরে আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ করো, যখন আহযাবের যুদ্ধের সময় শত্রুবাহিনী তোমাদের কাছে এসে পড়েছিলো, তখন আমি তাদের বিরুদ্ধে ঠান্ডা ও ঝড়ো বাতাস ও এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলাম, যে ফেরেশতাদেরকে তোমরা দেখতে পাওনি। তোমরা যা করো, আল্লাহ হচ্ছেন ঐ সম্পর্কে সর্বদ্রষ্টা। (৩৩. আল আহযাব : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) যখন আহযাবের যুদ্ধের সময় শত্রুবাহিনী উচ্চভূমি থেকে ও নিম্নভূমি থেকে তোমাদের কাছে এসে পড়েছিলো। আর যখন তোমাদের দৃষ্টিভ্রম হচ্ছিল ও তোমাদের প্রাণ গলায় পৌঁছে গিয়েছিলো। তখন তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে নানান ভুল ধারণা করেছিলে। (৩৩. আল আহযাব : ১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২) যখন দ্বিমুখীরা ও যাদের হৃদয়ের মধ্যে রোগ ছিলো, তারা বলেছিলো, “আল্লাহ ও তাঁর রসূল আমাদের কাছে প্রতারণা ব্যতীত অন্য কোনো অঙ্গীকার করেননি।” (৩৩. আল আহযাব : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) যখন আহযাবের যুদ্ধের সময় দ্বিমুখীরা ও যাদের হৃদয়ের মধ্যে রোগ ছিলো তাদের মধ্যে এক দল বলেছিলো, “হে মদিনার বাসিন্দারা! এটা তোমাদের জন্যে টিকবার মতো জায়গা নয়, সুতরাং তোমরা ফিরে যাও।” আর তাদের মধ্যে থেকেই এক দল নবীর কাছে অনুমতি চাইছিলো ও তারা বলেছিলো যে, “নিশ্চয় আমাদের ঘর অরক্ষিত,” অথচ সেগুলো অরক্ষিত ছিলো না, আসলে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া তারা অন্য কিছুই চাইছিলো না। (৩৩. আল আহযাব : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) যদি শত্রুপক্ষ মদিনার চতুর্দিক থেকে প্রবেশ করে দ্বিমুখীদের সঙ্গে মিলিত হতো, তারপর বিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে তাদেরকে বিদ্রোহ করতে বলা হতো, তবে তারা অবশ্যই তাতে এসে পড়তো ও বিদ্রোহ করতো। আর তারা ঐ ব্যাপারে সামান্যতম বিলম্ব করতো না। (৩৩. আল আহযাব : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৫) অথচ দ্বিমুখীরা ইতিপূর্বে আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকার করেছিলো যে, তারা পিঠ ফিরাবে না। আল্লাহর সঙ্গে তারা যে অঙ্গীকার করেছিলো ঐ সম্পর্কে দ্বিমুখীদেরকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা হবে। (৩৩. আল আহযাব : ১৫)
- ব্যাখ্যা