(২) আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে যা আপনার প্রতি ওহী করা হয়, আপনি তার অনুসরণ করুন। নিশ্চয় তোমরা যা করো, ঐ সম্পর্কে আল্লাহ পূর্ণ অবগত। (৩৩. আল আহযাব : ২)
- ব্যাখ্যা
(৪) আল্লাহ কোনো মানুষের জন্যে তার বুকের মধ্যে দুটি হৃদয় বানাননি। আর তোমাদের স্ত্রীদেরকে তোমাদের মা করেননি, যাদেরকে তোমরা এ কথা বলো যে, ‘তুমি আমার মায়ের পিঠের মতো’ ও তাদের থেকে তোমরা মন্দ শপথ করে ফিরে গেছো। আর তোমাদের পালক সন্তানদেরকে তোমাদের সন্তান করেননি। এগুলো হচ্ছে তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ সত্য কথা বলেন আর তিনিই মানুষকে সত্য পথে পরিচালিত করেন। (৩৩. আল আহযাব : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫) তোমরা ঐ পালক সন্তানদেরকে তাদের বাবাদের নামে ডাকো। এটাই আল্লাহর কাছে বেশি ন্যায় সঙ্গত। কিন্তু তোমরা যদি তাদের বাবাদের নাম না জানো, তাহলে তারা তোমাদের ধর্মীয় ভাই ও তোমাদের বন্ধু হিসেবে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে তোমাদের কোনো ভুল হলে, তাতে তোমাদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না, কিন্তু তোমাদের হৃদয় যদি তা ইচ্ছাকৃত ভাবে করে তবে অপরাধ হবে। আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৩৩. আল আহযাব : ৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬) নবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশ্বাসীদের কাছে তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ ও তাঁর স্ত্রীগণ হচ্ছে বিশ্বাসীদের মা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী গর্ভজাতের সম্পর্কীয় আত্মীয়গণ তারা একে অন্যের অধিক ঘনিষ্ঠ, ও সম্পদ বন্টনের ব্যাপারে অগ্রাধিকার রাখে, তাদের অপেক্ষা যারা বিশ্বাসী ও দেশত্যাগী, তবে এ ব্যতীত যে, তোমরা যদি তোমাদের বন্ধুদের প্রতি সৎ আচরণ করতে চাও তা ভিন্ন বিষয়। এ বিধান আল্লাহর নিকট সম্মানিত গ্রন্থের মধ্যে লিখিত আছে। (৩৩. আল আহযাব : ৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস