(২২) তার চাইতে কে বেশী অন্যায়কারী, যাকে তার প্রভুর বাণী দ্বারা উপদেশ দেওয়া হয়, তারপর সে ঐ উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়? নিশ্চয় আমি অপরাধীদের কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করবো। (৩২. আস সেজদাহ : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) অবশ্যই আমি মূসাকে ধর্ম গ্রন্থ দিয়েছিলাম, সুতরাং আপনি তাওরাতের প্রাপ্তির বিষয়ে কোনো সন্দেহের মধ্যে থাকবেন না। আমি তাওরাতকে ইসরাঈলের সন্তানদের জন্যে পথ-নির্দেশ বানিয়ে ছিলাম। (৩২. আস সেজদাহ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) আমি তাদের মধ্যে কিছু লোককে নেতা বানিয়ে দিয়েছিলাম, যেহেতু তারা ধৈর্য্যধারণ করেছিলো। তারা আমার আদেশ দ্বারা মানুষকে পথ প্রদর্শন করতেন আর তারা আমার বাণীর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলেন। (৩২. আস সেজদাহ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৬) তবে কি তাদেরকে এই বিষয়টি পথ-নির্দেশ করে না যে, আমি তাদের পূর্বে কত জাতিকে ধ্বংস করেছি, যাদের বাসভূমি দিয়ে তারা চলাফেরা করে। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শন রয়েছে। তবুও কি তারা কুরআনের বাণী শুনবে না? (৩২. আস সেজদাহ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তবে কি তারা দেখে না যে, আমি অনুর্বর ভূমির দিকে পানি প্রবাহিত করি, তারপর আমি এ পানির সাহায্যে ফসল উৎপন্ন করি, এ উৎপন্ন ফসল থেকে তাদের গবাদি পশুরা ও তারা নিজেরাও আহার করে। সুতরাং তারা কি তা দেখে না? (৩২. আস সেজদাহ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৯) আপনি বলুন, “যারা পৃথিবীতে আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, মীমাংসার দিনে তাদের বিশ্বাস তাদের কোনো কাজে আসবে না আর তাদেরকে অবকাশও দেওয়া হবে না।” (৩২. আস সেজদাহ : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) অতএব আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন এবং আপনি আল্লাহর আদেশের জন্যে অপেক্ষা করুন। নিশ্চয় তারাও আল্লাহর শাস্তির জন্যে অপেক্ষা করছে। (৩২. আস সেজদাহ : ৩০)
- ব্যাখ্যা