(১২) আপনি যদি ঐ সময়কে দেখতে পেতেন, যখন অপরাধীরা তাদের প্রভুর সামনে তাদের মাথা নতো করবে ও বলবে, “হে আমাদের প্রভু, আমরা দেখলাম ও শুনলাম। এখন আমাদেরকে পৃথিবীতে ফেরত পাঠিয়ে দিন, আমরা সৎকাজ করবো। নিশ্চয় আমরা দৃঢ় বিশ্বাসী হয়ে গেছি।” (৩২. আস সেজদাহ : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) আমি যদি ইচ্ছা করতাম, তবে অবশ্যই আমি প্রত্যেক ব্যক্তিকে সঠিক পথ-নির্দেশ দিতাম; কিন্তু আমার এ উক্তি অবধারিত সত্য যে, “অবশ্যই আমি একই সঙ্গে জ্বিন ও মানুষ দিয়ে দোযখ পূর্ণ করবো।” (৩২. আস সেজদাহ : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) পরকালে আমি তাদেরকে বলবো যে, “অতএব তোমরা আজ শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো, যেহেতু তোমরা তোমাদের এই দিনটির সাক্ষাৎ হওয়াকে ভুলে গিয়েছিলে। নিশ্চয় আমিও তোমাদেরকে আজ ভুলে গেছি। আর তোমরা ঐ কারণে স্থায়ী শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো, যা তোমরা করেছিলে।” (৩২. আস সেজদাহ : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৫) কেবল মাত্র তারাই আমার বাণী সমূহের প্রতি বিশ্বাস করে, যারা এমন যে, যখন তাদেরকে এসব বাণী সমূহ স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, তখন তারা সেজদায় লুটিয়ে পড়ে আর তারা তাদের প্রভুর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করে আর তারা অহঙ্কার করে না। (সেজদা-১০) (৩২. আস সেজদাহ : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) রাতের বেলা তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা থাকে। তারা ভয়ে ও আশা সহকারে তাদের প্রভুকে ডাকে। আর আমি তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, ঐ জীবিকা থেকে তারা ব্যয় করে। (৩২. আস সেজদাহ : ১৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯) তাদের ক্ষেত্রে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, সুতরাং তাদের কৃতকর্মের কারণে আপ্যায়ন স্বরূপ বসবাসের বেহেশত রয়েছে। (৩২. আস সেজদাহ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) আর তাদের ক্ষেত্রে যারা অবাধ্য হয়, সুতরাং তাদের ঠিকানা হচ্ছে আগুন। যখনই তারা চাইবে যে, দোযখ থেকে বের হতে, তখনই তাদেরকে দোযখের মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর তাদেরকে বলা হবে, “তোমরা ঐ আগুনের শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো, যে দোযখের শাস্তি সম্পর্কে তোমরা মিথ্যা বলেছিলে।” (৩২. আস সেজদাহ : ২০)
- ব্যাখ্যা