(৩) তারা কি বলে যে, “মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কুরআনকে রচনা করেছেন?” বরং এ কুরআন আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে আগত সত্য গ্রন্থ, যেনো আপনি এমন এক জাতিকে সতর্ক করেন, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোনো সতর্ককারী আসেনি, যেনো তারা সৎপথ প্রাপ্ত হয়। (৩২. আস সেজদাহ : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এ দুইয়ের মধ্যবর্তী যা কিছু আছে, সব কিছুকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি সিংহাসনের উপরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তাঁকে বাদ দিয়ে তোমাদের জন্যে কোনো অভিভাবক ও সুপারিশকারী নেই। তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? (৩২. আস সেজদাহ : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) আল্লাহ আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সমস্ত কাজ পরিচালনা করেন, তারপর সমস্ত কাজ তাঁর কাছে এমন এক দিনে ফিরে আসবে, যার পরিমাণ হচ্ছে তোমাদের গণনায় এক হাজার বছরের সমান। (৩২. আস সেজদাহ : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৭) আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন, তার প্রত্যেকটি জিনিসকে তিনি সুন্দর করেছেন। আর তিনি কাদা মাটি থেকে মানুষ সৃষ্টির সূচনা করেছেন। (৩২. আস সেজদাহ : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৯) তারপর তিনি মানুষকে সুঠাম করলেন এবং মানুষের মধ্যে আল্লাহর আত্মা ফুঁ দিলেন। আর তোমাদের জন্যে শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও হৃদয় তৈরি করলেন। তারপরেও তোমরা সামান্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। (৩২. আস সেজদাহ : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) তারা বলে, “কী! আমরা যখন মাটির মধ্যে মিশে যাবো, তখনো কি আমরা পুনরায় নতুন করে সৃষ্টি হবো?” বরং তারা তাদের প্রভুর সাক্ষাতের বিষয়ে অবিশ্বাসী। (৩২. আস সেজদাহ : ১০)
- ব্যাখ্যা