(২৯) আপনি কি দেখেন না যে, আল্লাহ রাতকে দিনের ভিতরে প্রবেশ করান ও দিনকে রাতের ভিতরে প্রবেশ করান? তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। আর আপনি কি দেখেন না যে, আল্লাহ ঐ সম্পর্কে পূর্ণ অবগত, তোমরা যা করো? (৩১. লোকমান : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) এটা একারণে যে, আল্লাহ তিনিই সত্য প্রভু। আর একারণে যে, তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদেরকে ডাকে তা সবই মিথ্যা। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোচ্চ, মহান। (৩১. লোকমান : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) আপনি কি দেখেন না যে, আল্লাহর অনুগ্রহে জাহাজগুলো সমুদ্রের মধ্যে বয়ে চলে, যেনো তিনি তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শন সমূহ দেখাতে পারেন? নিশ্চয় এর মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্য্যশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তিদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (৩১. লোকমান : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) যখন তরঙ্গ তাদেরকে মেঘের ছায়ার ন্যায় আচ্ছাদিত করে নেয়, তখন তারা আল্লাহর প্রতি ধর্মে অনুগত হয়ে খাঁটি মনে আল্লাহকে ডাকতে থাকে। তারপর তিনি যখন তাদেরকে স্থলভাগের দিকে উদ্ধার করে আনেন, তখন তাদের মধ্যে অনেকেই ধর্মের ব্যাপারে মধ্যম পন্থায় থাকে আর অনেকেই অবিশ্বাসের দিকে ঝুঁকে পড়ে। প্রত্যেক বিশ্বাস-ঘাতক, অকৃতজ্ঞ ব্যক্তি ব্যতীত আমার নিদর্শনকে অন্য কেউ অস্বীকার করে না। (৩১. লোকমান : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) ওহে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের প্রভুকে ভয় করো। তোমরা ভয় করো সেই দিনকে, যেদিন কোনো পিতা তার পুত্রের কোনো কাজে আসবে না আর পুত্রও তার পিতার কোনো উপকার করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য। সুতরাং পার্থিব জীবন যেনো তোমাদেরকে প্রতারিত না করে। আর আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারক শয়তান যেনো তোমাদেরকে প্রতারিত না করে। (৩১. লোকমান : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) নিশ্চয় কেবল মাত্র আল্লাহর কাছেই কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন ও মায়ের গর্ভাশয়ের মধ্যে যা আছে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী উপার্জন করবে। আর কেউ জানে না যে, কোন দেশে সে মারা যাবে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, পূর্ণ অবগত। (৩১. লোকমান : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস