(২০) তোমরা কি দেখো না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুকে আল্লাহ তোমাদের জন্যে অনুগত করে দিয়েছেন, তোমাদের উপরে তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অনুগ্রহ সমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন? মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে, যে ব্যক্তি ধর্মের কোনো সত্য জ্ঞান, সঠিক পথ-নির্দেশ ও উজ্জল গ্রন্থের জ্ঞান ছাড়াই আল্লাহ সম্পর্কে তর্ক করে। (৩১. লোকমান : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) যখন তাদেরকে বলা হয়, “আল্লাহ যে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন, তোমরা ঐ কুরআনকে অনুসরণ করো।” তখন তারা বলে, “বরং আমরা ঐ ধর্মকে অনুসরণ করবো, যে ধর্মের উপরে আমরা আমাদের পূর্ব-পুরুষদেরকে পেয়েছি।” তবে কি তারা তাদের পূর্ব-পুরুষদেরকে এরপরেও অনুসরণ করবে যে, যদি শয়তান তাদেরকে জ্বলন্ত আগুনের শাস্তির দিকে ডাকতে থাকে? (৩১. লোকমান : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) আর যে ব্যক্তি সৎকর্মশীল হয়ে তার নিজেকে আল্লাহর দিকে আত্মসমর্পণ করে, তাহলে নিশ্চয় সে এক মজবুত হাতল ধারণ করেছে। বস্তুত সকল বিষয়ের পরিণাম আল্লাহর কাছেই রয়েছে। (৩১. লোকমান : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে, সুতরাং তার অবিশ্বাস যেনো আপনাকে কষ্ট না দেয়। আমার দিকেই তাদেরকে ফিরে আসতে হবে। তারপর আমি তাদেরকে ঐ সম্পর্কে জানিয়ে দিবো, যা তারা করতো। নিশ্চয় তোমাদের অন্তরের অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহ অবগত আছেন। (৩১. লোকমান : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৫) আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, “কে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছে?” তবে তারা অবশ্যই বলবে, “আল্লাহ”। আপনি বলুন, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যেই।” বরং তাদের অধিকাংশই সত্য সম্পর্কে জ্ঞান রাখে না। (৩১. লোকমান : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৭) পৃথিবীর মধ্যে যতো বৃক্ষ আছে, সবই যদি কলম হয় ও সকল সমুদ্র যদি কালি হয়, তারপরে এর সঙ্গে আরো সাত সমুদ্র যোগ করা হয়, তবুও আল্লাহর বাণী সমূহ লিখে শেষ করা যাবে না। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৩১. লোকমান : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) তোমাদের সকলকে সৃষ্টি করা ও পুনরায় জীবিত করা, একটি মাত্র প্রাণীর সৃষ্টি করা ও পুনরায় জীবিত করার অনুরূপ। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছু শুনেন, সব কিছু দেখেন। (৩১. লোকমান : ২৮)
- ব্যাখ্যা